নবম জাতীয় পে-স্কেলের সুপারিশ চূড়ান্ত করতে পে-কমিশন বর্তমানে দ্রুতগতিতে কাজ করছে। সুপারিশ প্রণয়নের অংশ হিসেবে সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়েছে। চারটি ধাপে
সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা পুনর্নির্ধারণ ও বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতীয় বেতন কমিশন ধারাবাহিকভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এজন্য কমিশন
দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল ২০২৫–কে ঘিরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এখন তীব্র আগ্রহ ও আলোচনা চলছে। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির চাপ, এই পে স্কেলকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে
বাংলাদেশের নতুন পে–স্কেল প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত জাতীয় পে কমিশনের সুপারিশ জমা এবং বেতন কাঠামো কার্যকরের অগ্রগতিকে ঘিরে সচিবালয় কর্মকর্তা–কর্মচারীদের মধ্যে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা কিছুটা দূর হয়েছে। বুধবার দুপুরে
পৃথিবীর সবকিছু যেন নিজের নিয়মে এগিয়ে চললেও বাংলাদেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবনযাত্রা যেন কোনদিনই স্বাভাবিক ধারায় চলতে পারে না। যেন অদৃশ্য কোনো শক্তি সবসময়ই তাদের পথরোধ করে দাঁড়িয়ে থাকে। এমপিওভুক্তদের যেকোনো
আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নবম পে–স্কেল বাস্তবায়নের দাবিকে কেন্দ্র করে কর্মসূচি চূড়ান্ত করতে বসছেন দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মরত কর্মচারীরা। এ লক্ষ্যে শনিবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী
নতুন পে–স্কেল প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত জাতীয় বেতন কমিশন চলতি ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহেই তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দিতে পারে বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে সামগ্রিক কাজের প্রায় ৫০ শতাংশ শেষ করেছে কমিশন।