সরকার নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য নীরবে কিন্তু দ্রুতগতিতে কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা এখনো দেয়া হয়নি, তবুও বিভিন্ন দপ্তর, মন্ত্রণালয় এবং উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক মহলে ধারাবাহিক বৈঠক
বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের একাংশ বুধবার (৩ ডিসেম্বর) নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রজ্ঞাপন দ্রুত জারি ও বেতন কাঠামো সংস্কারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন
শ্রম সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, এখনকার বাজারদর এত বেশি যে বর্তমান বেতন কাঠামোতে নিম্ন গ্রেডের একজন সরকারি কর্মচারীর পরিবারের ব্যয় চালানো খুবই কঠিন। তাই সরকারকে দ্রুত
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নভেম্বর মাসের বেতন-ভাতার প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে আগামী বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বরের মধ্যেই তারা নভেম্বর মাসের বেতন-ভাতা পাবেন বলে
সরকারি চাকরিজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে নবম পে-স্কেল ডিসেম্বরের মধ্যেই বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন। তারা ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পে-কমিশনের সুপারিশ চূড়ান্ত করারও আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন। সেই সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় আন্দোলনের নতুন রূপরেখা
নবম পে-স্কেল প্রণয়নকে কেন্দ্র করে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে কর্মরত সচিবদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেছে জাতীয় পে-কমিশন। এসব বৈঠকে সচিবরা স্পষ্টভাবে মতামত দিয়েছেন যে, নবম পে-স্কেল নিয়ে কোনো
নবম পে-স্কেল প্রণয়নের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে দায়িত্ব পালনকারী সচিবদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেছে জাতীয় পে-কমিশন। এসব বৈঠকে অধিকাংশ সচিবের অভিমত ছিল—বেতন কাঠামো নিয়ে আকাশচুম্বী বা অযৌক্তিক