1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
Title :
এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ ২০ জুলাই এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হচ্ছে না

এমপিও শিক্ষকদের জুলাই-২০২৬ মাসের বিল সাবমিট বিষয়ে মাউশির নির্দেশনা

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৭৫১ Time View
মাউশি ইআইএমএস সেল

নিজস্ব প্রতিবেদক: এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য জুলাই ২০২৬ মাসের বেতন বিল এবার বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। কারণ, এই মাসের বিলের মাধ্যমেই দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী বাড়িভাড়া ভাতার দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের পথ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত হলো। একই সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) দেশের সব এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের আগামী ২১ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে EMIS-এর MPO-EFT মডিউলে জুলাই মাসের এমপিও বিল সাবমিট করার নির্দেশ দিয়েছে।

মাউশির জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ১ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (EFT) পদ্ধতিতে সরাসরি নিজ নিজ ব্যাংক হিসাব নম্বরে পাঠানো হচ্ছে। এ জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানকে এমপিও সংক্রান্ত নির্ধারিত আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে EMIS-এর MPO-EFT মডিউলে লগইন করে প্রতিটি শিক্ষক ও কর্মচারীর প্রাপ্য অর্থ সঠিকভাবে নির্ধারণ করে বিল সাবমিট করতে হবে।

অধিদপ্তর স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠান প্রধানের দাখিল করা তথ্যই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে। কোনো ভুল তথ্যের কারণে যদি কোনো শিক্ষক বা কর্মচারীর বেতন ব্যাংক হিসাবে না পৌঁছায় অথবা অতিরিক্ত অর্থ পাঠানো হয়, তবে এর সম্পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের ওপর বর্তাবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, অসাবধানতাবশত বা অন্য কোনো কারণে অতিরিক্ত অর্থ প্রাপ্ত হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মচারীকে সেই অর্থ ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে চালানের কপি প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করতে হবে।

এদিকে, মাউশি জানিয়েছে যে, বর্তমানে শুধুমাত্র iBAS-এর মাধ্যমে তথ্য যাচাই সম্পন্ন হওয়া (Valid) জনবলের তথ্যই বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত করা হয়েছে। যাদের তথ্য এখনো ভুল বা অসম্পূর্ণ রয়েছে, তাদের তথ্য সংশোধন ও যাচাই শেষে পর্যায়ক্রমে বিল সাবমিট করার সুযোগ দেওয়া হবে।

তবে জুলাই মাসের এমপিও বিলকে অন্যান্য মাসের তুলনায় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে বাড়িভাড়া ভাতার দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়ন। দীর্ঘদিন ধরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মাত্র ১,০০০ টাকা হারে থোক বরাদ্দ হিসেবে বাড়িভাড়া পেয়ে আসছিলেন। সরকারি চাকরিজীবীদের তুলনায় এটি ছিল অত্যন্ত বৈষম্যমূলক বলে শিক্ষক সমাজ দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিল।

শিক্ষকদের ধারাবাহিক আন্দোলন ও দাবির প্রেক্ষাপটে গত বছর তৎকালীন সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া মূল বেতনের ১৫ শতাংশে উন্নীত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তবে আর্থিক বাস্তবতা বিবেচনায় এই সুবিধা দুই ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

প্রথম ধাপে গত বছর মূল বেতনের ৭.৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া কার্যকর করা হয়। সেই সময়ই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, ২০২৬ সালের জুলাই মাস থেকে অবশিষ্ট ৭.৫ শতাংশ কার্যকর হবে। এবার জুলাই মাসের এমপিও বিল সাবমিটের মাধ্যমে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন শুরু হতে যাচ্ছে।

এর ফলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা এখন থেকে মোট ১৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া ভাতা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হলো। যদিও এটি এখনও সরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রাপ্ত বাড়িভাড়া সুবিধার সমপর্যায়ে নয়, তবুও দীর্ঘদিনের বৈষম্য নিরসনের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শিক্ষক নেতাদের মতে, এটি কেবল একটি আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি নয়; বরং দীর্ঘদিনের আন্দোলনের একটি বাস্তব ফল। তাদের ভাষ্য, বৈষম্য সম্পূর্ণ দূর না হলেও অন্তত সমতা প্রতিষ্ঠার পথে একটি দৃশ্যমান অগ্রগতি হলো। ভবিষ্যতে অন্যান্য ভাতা ও আর্থিক সুবিধার ক্ষেত্রেও একই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

এছাড়া প্রতিবছরের নিয়মিত বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের সুবিধাও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা পেয়ে থাকেন। ফলে বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধি এবং বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির সম্মিলিত প্রভাবে অনেক শিক্ষক-কর্মচারীর মাসিক প্রাপ্তি আগের তুলনায় আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সব মিলিয়ে, জুলাই ২০২৬ মাসের এমপিও বিল শুধু একটি নিয়মিত বেতন বিল নয়; বরং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এখন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঠিক তথ্য দিয়ে বিল সাবমিট করার ওপরই নির্ভর করবে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ও নতুন হারে বাড়িভাড়া ভাতা যথাসময়ে তাদের ব্যাংক হিসাবে পৌঁছানো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme