পৃথিবীতে একমাত্র দেশ মনে হয় এই দেশ যেখানে রাষ্ট্র সকল সময় একটা পেশাজীবিদের সাথে দ্বিচারিতার ন্যায় আচরণ করে। কাদের সাথে করে যারা কিনা এদেশের শতকরা ৯৭ ভাগ শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষায়
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য শতাংশ হারে বাড়ি ভাতা নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ইতোমধ্যে ফাইল তুলেছে। বর্তমানে উক্ত ফাইলটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মিজানুর রহমানের
এই দেশে সকল পেশাতেই কম বেশি অনেক বৈষম্য বিদ্যমান তা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে সেই বৈষম্যগুলো অন্যান্য পেশায় যেভাবে নিরসন হয় সেই একই ধারাবাহিকতায় কিন্তু এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেলায়
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত বহু শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন প্রদানে জটিলতা তৈরি হয়েছে। মূলত ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) সিস্টেমে প্রেরিত তথ্যের মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্রের
শিক্ষা একটি জাতির মেরুদণ্ড—এ কথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু এই মেরুদণ্ড শক্ত রাখার জন্য যারা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন, সেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা আজও ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত। সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী,
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির হিসাব পাঠানো: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা বাংলাদেশের বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থায় কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের অন্যতম বড় সমস্যা হলো তাদের আর্থিক অনিশ্চয়তা। বিশেষত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাড়িভাড়া
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির জন্য প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। তিনি সম্প্রতি এই বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন