1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
Title :
যে দুই কারণে আটকে আছে পে স্কেল যে কোন সময় মন্ত্রীসভায় রদবদল আসছে বড় ধরনের চমক এমপিও শিক্ষকগণ বদলি আবেদনের জন্য কতদিন সময় পাবেন জানাল মাউশি নতুন রাষ্ট্রপতি হিসাবে সর্বাধিক আলোচিত হচ্ছে যাদের নাম চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের স্থগিত হওয়া পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ নিয়ে রিট করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পে স্কেল নিয়ে বিপাকে সরকার, বিকল্প বাস্তবায়নের পথ খুঁজছে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি

বাড়ছে সরকারী চাকুরীজীবিদের ভাতা-এখন অর্থের সংকট হবে না, সংকট শুধু এমপিওভুক্তদের বেলায়

  • Update Time : রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২০৯ Time View
বাড়ছে সরকারী চাকুরীজীবিদের ভাতা-এখন অর্থের সংকট হবে না, সংকট শুধু এমপিওভুক্তদের বেলায়

পৃথিবীতে একমাত্র দেশ মনে হয় এই দেশ যেখানে রাষ্ট্র সকল সময় একটা পেশাজীবিদের সাথে দ্বিচারিতার ন্যায় আচরণ করে। কাদের সাথে করে যারা কিনা এদেশের শতকরা ৯৭ ভাগ শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার দ্বায়িত্ব পালন করে আসছে। যাদের শ্রমের বিনিময়ে এদেশের অধিকাংশ জনবল আগামীর ভবিষ্যতের জন্য তৈরি হচ্ছে। সেই সকল কারিগরদের কিভাবে ঠকানো যায় সেই কাজে ব্যস্ত এদেশের জ্ঞানীগুনী বিশেষজ্ঞ বলে স্বীকৃত সচিব আমলারা। যারা কিনা আবার চাকুরী শেষে সুশীল আবরণ গায়ে তুলে সুশীলের বেশ ধরে।

যাক হাহাকার এর কথা বলে আর কি লাভ। হাহাকার অন্যায় আমাদের তথা এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন যে বিষয় বলার জন্য লিখছি তা হল যে, সরকারী কর্মচারীদের বিভিন্ন ভাতা বাড়ানো হচ্ছে। নিউজটি একটি জনপ্রিয় পোটাল থেকে সংগৃহিত যা হুবু তুলে ধরা হল-

সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নেওয়া কর্মচারীদের জন্য প্রশিক্ষণ ভাতা বাড়িয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার  (২০ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে নতুন এই ভাতা কার্যকর করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণরত কর্মচারীরা এই বাড়তি ভাতা পাবেন।

এর মধ্যে ৯ম গ্রেড বা তার উচ্চ গ্রেডের কর্মকর্তাদের কেন্দ্রে অবস্থান কালীন পুনর্নির্ধারিত ভাতা ৮০০ টাকা; যা আগে ছিল ৬০০ টাকা।

একই গ্রেডে মাঠসংযুক্তকালীন নতুন ভাতা হবে ১ হাজার টাকা, যা আগে ছিল ৭০০ টাকা। অন্য দিকে ১০ম বা তার নিচে কর্মচারীদের ক্ষেত্রে যথাক্রমে ৬০০ ও ৭০০ টাকা; আগে যা ছিল ৫০০ ও ৬০০ টাকা।
 
এর আগে গত আগস্টে সরকারের বিষয়ভিত্তিক অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের বক্তা সম্মানী এবং প্রশিক্ষণ ভাতার হার পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। তখন প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থী উভয়েরই ভাতা বাড়ানো হয়।

প্রশিক্ষার্থীদের ভাতা বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হয়। আর প্রশিক্ষকদের ভাতা বেড়েছে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত। এছাড়া গত জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীরা মূল বেতনের ওপর ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দিয়েছে সরকার। কর্মরত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এ ‘বিশেষ সুবিধা’র ন্যূনতম পরিমাণ ১ হাজার ৫০০ টাকা, আর পেনশনভোগীদের জন্য ন্যূনতম ৭৫০ টাকা করা হয়েছে।

এখন এখানে যে প্রশ্নটা সবারই আসবে তা হলো একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বাড়িভাড়া বাবদ দেওয়া হয় মাত্র ১০০০ টাকা যা বৃদ্ধির আবেদন করা হয়েছে মুল বেতনের ২০%। যেখানে সরকারী চাকুরীজীবিরা পায় মুল বেতনের ৪৫%-৫০% সেখানে এমপিভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা দাবিই করেছে মাত্র ২০%। আর চিকিৎসা ভাতা দাবি করা হয়েছে সরকারীদের ন্যায় ১৫০০ টাকা। আর এই চাওয়া নিয়ে শুরু হয়েছে আমাদের মহাজ্ঞানী, দেশপ্রেমিক আমলাদের কারসাজি। কখনও অনৈতিকভাবে ফাইল আটকে রাখা, কখনও বা উস্কানিমুলক সংবাদ মিডিয়ার সহযোগীতায় প্রচার ইত্যাদি ইত্যাদি নানা ভাবে বাঁধা প্রদান করার চেষ্টা।

শিক্ষা উপদেষ্টা যেখানে গত ১৩ তারিখের এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে শিক্ষক প্রতিনিধিদের সাথে আলাপকালে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের দাবীকৃত বিষয়টি মৌখিক ভাবে মেনে নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেছিল। সেই মৌখিক আশ্বাসকৃত বিষয়টি নিয়ে কেন এত জল ঘোলা করার চেষ্টা করা হচ্ছে কে বা কারা সেটা করছে আমরা শিক্ষক কর্মচারীরা কিন্তু অবুঝ নয় আমরা বুঝি। অর্থ সংকটের দোহাই দিয়ে আর আমাদের দাবিয়ে রাখার বৃথা চেষ্টা করে কোন লাভ হবে না। অর্থের সংকট কি শুধু এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেলায় সরকারী চাকুরীজীবিদের বেলায় অর্থের এত বরাদ্দ কোথায় থেকে আসে। তখন কি অর্থ উইপোকার ঢিবি থেকে বের হয় আর এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেলায় তা হাওয়ায় মিলিয়ে যায়। এভাবে ছেলেভুলানো তত্ত্ব আর কাজ করবে না। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে যদি আমাদের দাবীকৃত বিষয়টি সুরাহা না হয় তাহলে দেখা হবে রাজপথে দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত চলবে আন্দোলন।

পরিশেষে সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বিশেষ অনুরোধ করে বলছি প্রিয় সহকর্মীবৃন্দ আপনারা সোচ্চার হন নিজের দাবীর বিষয়ে যেভাবে সোচ্চার হয়েছিলেন গত ১৩ আগষ্ট। সেভাবে আবার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন আগামী ১২ অক্টোবরের জন্য। যদি হেন কোন প্রকার ষড়যেন্ত্রের আভাস পাওয়া যায় সাথে সাথে আমরা যেন জুলুমবাজদের অন্যায় রুখে দেওয়ার জন্য এক হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে হাজির হই প্রেসক্লাবে। এটি কোন রাজনৈতিক মতাদর্শের বিরুদ্ধে আন্দোলন নয় এটি আমাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন। এটি দলমত নির্বিশেষে আমাদের সবার অধিকার আদায়ের আন্দোলন। এটি এদেশের সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলনের কর্মসূচী। যেখানে যোদ্ধা আমরা সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme