বাংলাদেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে একটি মৌলিক দাবির পক্ষে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন—তাদের বাড়িভাড়া ভাতা সরকারি চাকরিজীবীদের মতো শতকরা হারে নির্ধারণ করা হোক। কিন্তু এ দাবি বাস্তবায়নের পথে নানা
শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে দেশের সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলো থেকে বিএড ডিগ্রি অর্জন করা শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল—তাদেরও যেন সরকারি স্বীকৃত বিএড স্কেল প্রদান করা হয়। অবশেষে সরকার এ সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ
বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির জন্য এতদিন নিয়ম ছিল, প্রতি জোড় মাসে আবেদন করতে হবে। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি, এপ্রিল, জুন, আগস্ট, অক্টোবর ও ডিসেম্বর মাসে শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির আবেদন জমা
বাংলাদেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বহুদিনের দাবি হলো—সরকারি চাকরিজীবীদের মতো তাদেরও বাড়িভাড়া ভাতা শতকরা হারে নির্ধারণ করা হোক। এ দাবির প্রেক্ষাপট ঘিরে গত ১৩ তারিখ শিক্ষকদের আন্দোলনের পর শিক্ষা উপদেষ্টা
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) উদ্যোগে আগামী রবিবার দুটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জানা গেছে, উভয় সভাতেই সভাপতিত্ব করবেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালায় আবারও পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বর্তমানে আদালতে চলমান মামলা এবং শিক্ষকদের দাবির প্রেক্ষাপটে নীতিমালার কিছু ধারা সংশোধনের