বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্দোলন এখন এক সংকটপূর্ণ ও সংবেদনশীল পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে তারা টানা সাত দিন ধরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান করছেন।
২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়াসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকারের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তারা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন—এটাই আন্দোলনের শেষ ধাপ। সরকারের দৃষ্টি যদি এবারও দাবি বাস্তবায়নের দিকে
প্রধান উপদেষ্টার উপ প্রেসসচিবের বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে চলমান অনশন কর্মসূচিতে বক্তৃতা দিতে গিয়ে শিক্ষা জাতীয়করণ
মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়ি ভাতা ভাতার দাবিতে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্দোলন ষষ্ঠ দিনে গড়িয়েছে। রাজধানী থেকে শুরু করে বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় শিক্ষকরা মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি, মিছিল ও লংমার্চের মাধ্যমে তাদের
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, “শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, আর শিক্ষক তার আত্মা।” শিক্ষকদের ওপর লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ
২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা থেকে
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই অর্থ মন্ত্রণালয় ৫০০ টাকা নির্ধারণ করে কিনা জানতে চাইলে শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন বলেছেন, উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করে ডিও লেটার পাঠানো হয়েছিল। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সঙ্গেও