শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই অর্থ মন্ত্রণালয় ৫০০ টাকা নির্ধারণ করে কিনা জানতে চাইলে শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন বলেছেন, উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করে ডিও লেটার পাঠানো হয়েছিল। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। তাদের দাবি ছিল, বাড়ি ভাড়াটা যেন শতাংশ ভিত্তিক হয়। এরপর আমরা এমন অনুরোধ জানিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি।
আজ (১৬ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন সচিব। তিনি বলেন, ‘বাজেটের মধ্যে যতটুকু সম্ভব, চেষ্টা করছি। তাদের পক্ষ থেকে সংবেদনশীলতা আসছে। শতাংশে আসাটাও একটি বড় অগ্রগতি। এর পর সরকারের যদি সামর্থ ভাল হয় এবং উনাদের পারফরমেন্স যদি ভাল হয় এক সময় ৬০-৭০ শতাংশও হতে পারে। জাতীয় বেতন স্কেলেও বাড়বে। শিক্ষা খাতে সংস্কারের প্রভাব দেখার জন্য হয়তো আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে।’
সচিব আরও বলেন, ‘৫০০ টাকা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন হয়েছে, তার আগেই শতাংশের চিঠি পাঠিয়েছিলাম। পরে ৫ অক্টোবর প্রজ্ঞাপনের পর এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহবান জানিয়ে চিঠি দিয়েছিলাম। আমরা প্রতি মুহুর্তে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। অর্থ বিভাগের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ হচ্ছে। অর্থ উপদেষ্টা ও সচিবের সঙ্গেও যোগাযোগ হচ্ছে।’
মন্ত্রণালয় ৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়া দিতে চাইলেও শিক্ষকরা ন্যূনতম ১০ শতাংশ চাইছেন। সেক্ষেত্রে সমাধানে না এলে শিক্ষকদের আন্দোলন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান অচলাবস্থার সমাধান কি হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেন, ‘সমাধান যদি আমাদের হাতে থাকতো। অবশ্যই করতাম। তাদেরকে বলেছি, আসুন আমরা আলাপ করি।’
উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘সমস্যা আমরা অবশ্যই সমাধান করব। আমরা সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা বাজেট। যারা আন্দোলন করছেন, তারা আগেও অন্যান্যভাবে আন্দোলন করেছে এবং তখনও আলোচনা হয়েছে। যতবারই তারা আসতে চেয়েছেন, ততবারই তাদের জন্য দ্বার উন্মুক্ত ছিল।’
প্রথমে যেটা ছিল, ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা করার জন্য। আগের মন্ত্রীর সময়েও এ দাবি তোলা হয়েছিল। যথাথভাবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আমরা এটা জানিয়েছি। পরবর্তীতে তারা সিদ্ধান্ত এক প্রকার দিলেন ৫০০ টাকা।
সর্বশেষ যে কথাটি বলব শিক্ষা উপদেষ্টা যে মিথ্যাচারটি করলেন যে আগে আমরা নাকি ২০০০টাকা বাড়িভাড়া চেয়েছিলাম। আমার কথা হল আমরা কবে কোনদিন ২০০০টাকা বাড়িভাড়া চাইলাম তার এটি প্রমাণ দিতে হবে নইলে তার এই উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে।
Leave a Reply