নবম পে-স্কেলের প্রথম ঘোষণায় বা প্রাথমিক সুপারিশে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বড় আশার সঞ্চার হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত পে-কমিশনের সুপারিশে বেতন ও ভাতায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে চাহিদাকৃত তথ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি।
বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ডিও লেটার দিয়েছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। কিন্তু
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে আসন্ন জাতীয় বাজেটে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। নতুন
বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে বদলি কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মাইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাই-বাছাইয়ে আরও ১১৭ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদ ব্যবহারের সত্যতা পাওয়ায় তাদের এমপিও সুবিধা বাতিল করা হয়েছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত পরিচালন বাজেটের আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় নির্বাহের জন্য ৪৯ কোটি ৯৯ লাখ ৮৬ হাজার ৯০০ টাকা ছাড় করেছে সরকার। এ অর্থ