বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে বদলি কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মাইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এ বিষয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে এবং ইতোমধ্যে বদলি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি সফটওয়্যারও প্রস্তুত করা হয়েছে। আসন্ন ঈদুল আজহার পর থেকেই শিক্ষকদের তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হবে।
রবিবার (২৪ মে) বিকেলে নিজ দপ্তরে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব তথ্য জানান।
শিক্ষকদের বদলি আবেদন কার্যক্রম কবে শুরু হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে মাউশি ডিজি বলেন, জুন মাসের মধ্যেই শিক্ষকদের ডাটাবেজ সংগ্রহের কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন এবং সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বদলির আবেদন গ্রহণের কার্যক্রম শুরু করা হবে।
তিনি আরও জানান, বদলি কার্যক্রমকে স্বচ্ছ, সহজ এবং প্রযুক্তিনির্ভর করতে সফটওয়্যারভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। সেই ডাটাবেজের ভিত্তিতেই পরবর্তী সময়ে বদলির আবেদন গ্রহণ ও নিষ্পত্তির কাজ পরিচালিত হবে।
মাউশি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের বদলি চালুর দাবি ছিল। বিভিন্ন সময় শিক্ষক সংগঠনগুলো এ বিষয়ে আন্দোলন ও দাবি উত্থাপন করে আসছিল। অবশেষে সরকার বিষয়টি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় শিক্ষক সমাজের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বদলি কার্যক্রম চালু হলে শিক্ষকরা পারিবারিক, স্বাস্থ্যগত ও অন্যান্য যৌক্তিক কারণে এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে বদলির সুযোগ পাবেন। এর ফলে শিক্ষক সংকট নিরসন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে জনবল বণ্টনেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
Leave a Reply