মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়ার দাবিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা আগামীকাল (রবিবার) থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের দীর্ঘদিনের দাবি— বেসিক বেতনের ২০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাতা এবং ১,৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা—বাস্তবায়নের দাবিতে আগামীকাল রবিবার (১২ অক্টোবর) থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বাড়ি ভাতা শতাংশ হারে বৃদ্ধি করার প্রস্তাবটি এখন অর্থ মন্ত্রণালয়ের টেবিলে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠিয়েছে। সেই চিঠির প্রেক্ষিতে অর্থ
এক দশক পর দেশে আবারও নতুন পে কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কারণে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা ও আলোচনার ঢেউ। এবারের পে কমিশন শুধু বেতন বৃদ্ধির
এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজের দৃঢ় অবস্থান: ন্যায্য অধিকার থেকে এক চুলও সরে আসা নয় সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষাঙ্গনে একটি নতুন আলোচনার বিষয় ছড়িয়ে পড়েছে—এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া নাকি ২,০০০ বা ৩,০০০ টাকায় সীমিত
পৃথিবীর বহু দেশে শিক্ষকদের মর্যাদা, অধিকার ও মৌলিক চাহিদা রক্ষায় সরকারগুলো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশ যেন সেই ব্যতিক্রমী দেশ যেখানে শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয় পে স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী বেতনের আনুপাতিক হারে বাড়ি ভাড়া ভাতা বাড়াতে ও অন্যান্য চাকরির সুবিধাদি নিশ্চিত করতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী