বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতায় বৈষম্য দূরীকরণ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সরকারের উচ্চপর্যায়ে বাড়ি ভাতা ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ে নতুন করে আলোচনার গতি বেড়েছে। সাম্প্রতিক সূত্রগুলো বলছে,
মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাতা প্রদানসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনরত বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। তারা সরকারের কাছে আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাতের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারির
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাতা শতাংশ হারে বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে রুদ্ধদ্বার আলোচনায় বসেছেন শিক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল থেকেই এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু হয়,
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাতা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) জারি হবে কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। যদিও শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা
তিন দফা দাবিতে ক্লাসরুম ছেড়ে রাজধানীতে নেমে এসেছেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া ভাতা, ১ হাজার ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং উৎসব ভাতা ৭৫
বাংলাদেশের শিক্ষা অঙ্গনে বর্তমানে যে অচলাবস্থা বিরাজ করছে, তা কোনো হঠাৎ ঘটে যাওয়া ঘটনা নয়। দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের ন্যায্য দাবি নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। মূল বেতনের ২০
“মাত্র এক হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া আর পাঁচশ টাকা চিকিৎসা ভাতা। তাও আবার অধ্যক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানের সুইপার একই। সরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা যেখানে বেতনের চল্লিশ থেকে পয়তাল্লিশ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ পান