২০২৬ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়া যাতে স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও নীতিমালা অনুযায়ী সম্পন্ন হয়, সে লক্ষ্যেই সারাদেশের সরকারি ও বেসরকারি স্কুল এবং স্কুল অ্যান্ড কলেজগুলোর শূন্য আসনের তথ্য চেয়েছে মাধ্যমিক ও
বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাড়িভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্তে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (১০ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশ (জিও) জারির পর বিষয়টি চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসারের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
দেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল কার্যকর নিয়ে তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর এ বিতর্ক আরও জোরদার হয়।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপ দিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন এক সফটওয়্যার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্দেশ্যে তৈরি করা হচ্ছে একটি স্বয়ংক্রিয় বদলি ব্যবস্থাপনা
সবকিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে ২০২৬ সালের শুরুতেই সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ নিজেও কয়েক দফা সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন—জানুয়ারি থেকে মার্চের
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা শতভাগ উৎসব ভাতাসহ আট দফা দাবি জানিয়েছেন। সোমবার (১০ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবিগুলো
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনা চলছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পে কমিশনের সদস্যরা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ শেষ করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু এরইমধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের