সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে অবশেষে। নবগঠিত জাতীয় পে কমিশন ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে দ্রুতগতিতে, এবং অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ও সরকারি সূত্রগুলোর মতে, ২০২৬ সালের জানুয়ারির শুরু থেকেই নতুন
এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত, মৃত, অসুস্থ ও কন্যাদায়গ্রস্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা প্রদানে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে অবশেষে কিছুটা আশার আলো দেখা দিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সম্প্রতি এক
দশম গ্রেডসহ তিন দফা দাবি আদায় ও শাহবাগে আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। আগামীকাল রবিবার (৯ নভেম্বর) থেকে
বাংলাদেশের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কাঠামোর দুই প্রান্তে আজ বিরাজ করছে এক গভীর বৈষম্য—একদিকে সরকারি শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা, অন্যদিকে এমপিওভুক্ত (বেসরকারি) শিক্ষক-কর্মচারীদের অনিশ্চয়তা। উভয় শ্রেণির মানুষই দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন,
প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য বেতন কাঠামো ও পদোন্নতি সংক্রান্ত দাবি বাস্তবায়নের আন্দোলন ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে। এবার দশম গ্রেডে বেতনসহ তিন দফা দাবিতে ‘কলম বিসর্জন কর্মসূচি’ ঘোষণার মাধ্যমে নতুন অধ্যায়ে
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা আবারও রাস্তায় নামতে যাচ্ছেন তিন দফা দাবিতে। দাবি আদায়ে তারা এবার লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছেন আগামীকাল শনিবার (৮ নভেম্বর) থেকে। ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে কর্তনকৃত কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর সুবিধা বোর্ডের টাকা লোপাটের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দিয়েছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী।