বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসায় কর্মরত প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর মে মাসের বেতন-ভাতা প্রদান নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। জুন মাসের মাঝামাঝি সময় পার হলেও তারা এখনো মে মাসের বেতন পাননি।
বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বহুল প্রতীক্ষিত বদলি কার্যক্রমে নতুন জটিলতা দেখা দিয়েছে। বদলি সংক্রান্ত সফটওয়্যারে পর্যাপ্ত স্পেস না থাকায় প্রতিষ্ঠান প্রধানরা প্রয়োজনীয় তথ্য ইনপুট দিতে পারছেন না।
মে মাসের বেতন পাওয়া নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন দেশের এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদ্রাসাগুলোর প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী। সংশ্লিষ্ট বেতন খাতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ না থাকায় এখনো বেতন ছাড়
নিচে মূল তথ্য অক্ষুণ্ন রেখে নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী ১ম থেকে ২০তম গ্রেডের বর্তমান বেতন, বিশেষ সুবিধা এবং প্রস্তাবিত নতুন মূল বেতন টেবিল আকারে উপস্থাপন করা হলো— গ্রেড বর্তমান মূল
বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা প্রদানে বড় ধরনের আর্থিক সংকটের চিত্র তুলে ধরেছে সরকার। জাতীয় সংসদে জানানো হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতির মুখে রয়েছে।
আগামী ১ জুলাই থেকে দেশে নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সঙ্গে সঙ্গে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিভিন্ন ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টিও সামনে এসেছে। বিশেষ করে বাড়িভাড়া ভাতা কোন
দীর্ঘ অপেক্ষা ও নানা ধরনের নাটকের পর অবশেষে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের মে-২০২৬ মাসের বেতন গত ৮ তারিখে নিজ নিজ ব্যাংক একাউন্ট পোষ্টিং হওয়ার মেসেজ পেয়েছে। মে মাসের বিল সাবমিট হওয়ার