দীর্ঘ অপেক্ষা ও নানা ধরনের নাটকের পর অবশেষে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের মে-২০২৬ মাসের বেতন গত ৮ তারিখে নিজ নিজ ব্যাংক একাউন্ট পোষ্টিং হওয়ার মেসেজ পেয়েছে। মে মাসের বিল সাবমিট হওয়ার পর এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তা পাওয়ার পূর্ব অবধি মাউশি বিভিন্নমুখী নাটক মঞ্চস্থ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের স্ক্রীপ্ট তৈরি করেছিল। যেমনঃ এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন প্রদানে ১৮ ধাপ অতিক্রম করতে হয়। এই ১৮ ধাপের নাটকের পর যেদিন বেতন শিক্ষক-কর্মচারীদের একাউন্টে ট্রান্সফার হওয়া শুরু হলো সেদিন দুপুর ১২টা অবধি আরও ৯ ধাপ বাঁকী ছিল। বলতে পারেন কিভাবে বললাম। ৮ তারিখ সকাল ১১টা নাগাদ জানা যায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের মে মাসের বেতনে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন মিলেছে। তো মন্ত্রণালয় অনুমোদনের পরও মাউশির নাটক মতে আরও ৯টি ধাপ বাঁকি থাকে। তো আগের ৯টি ধাপ পেরুতে যেখানে ২০ থেকে ২২ দিন সময় লেগেছিল কিন্তু পরের ৯ ধাপ পেরুতে ২ থেকে ৩ ঘন্টা লেগেছে। বলতে এটা কি করে সম্ভব হলো, প্রশ্ন এখানেই? কিভাবে সম্ভব, সম্ভব এভাবে হয়েছে ঐদিন দুপুরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন প্রদান নিয়ে সংসদ কথা উঠেছিল যার ফলে ১০ দিনের কাজ ২ ঘন্টায় হয়ে গেছে। এখন বুঝতে পেরেছেন ভুত আসলে কোথায়?
এখন আসি বর্তমান প্রসংগ নিয়ে আর তা হলো জুন মাসের বিল সাবমিট অপশন কোনদিন হতে চালু হবে? এই বিষয়ে আজ দুপুরে মাউশির ইএমআইএস সেলে যোগাযোগ করা হলে ইএমআইএস সেলের প্রোগামার মোঃ জহির উদ্দিন আজ দুপুর ২.৪৫টায় জানান যে, আগামী বুধ অথবা বৃহস্পতিবার নাগাদ হতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের জুন-২০২৬ মাসের বেতন বিল ইএফটি সাবমিট করার অপশন চালু করতে পারে মাউশি। সেই লক্ষ্যে ইএমআইএস সেল তাদের প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশের সব এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা প্রতিষ্ঠানের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে বিল সাবমিট সম্পন্ন করা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সার্ভার জটিলতা ও প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে হয়ত এই তারিখ পরিবর্তন হতে পারে তবে তারা চেষ্টা করছে আগামী বুধ অথবা বৃহস্পতিবার হতে জুন-২০২৬ মাসের বেতন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ইএফটি ড্যাশবোর্ডে সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাবমিট করতে পারে তার ব্যবস্থা করার।
মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রতিষ্ঠান বিল দাখিল করতে ব্যর্থ হলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। বিশেষ করে ঈদুল আজহা সামনে থাকায় শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা সময়মতো প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে বিল সাবমিট কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সঠিকভাবে বিল সাবমিট করা হলে দ্রুত ইএফটির মাধ্যমে বেতন-ভাতা ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। তাই সকল এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের প্রয়োজনীয়
Leave a Reply