২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে সরকার। এজন্য আসন্ন জাতীয় বাজেটে অন্তত ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
শিক্ষাবিদ থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই মনে করে আসছেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হলে শিক্ষকদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও সামাজিক
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি শুরু করেছে সরকার। নতুন এই পে-স্কেল কার্যকর হলে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন বা বেসিক ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জোর আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে এ
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম ঘিরে নতুন করে দুশ্চিন্তায় পড়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের মাধ্যমে তথ্য ইনপুটের জটিলতা এবং ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির সম্ভাব্য
নবম পে-স্কেলের প্রথম ঘোষণায় বা প্রাথমিক সুপারিশে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বড় আশার সঞ্চার হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত পে-কমিশনের সুপারিশে বেতন ও ভাতায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে চাহিদাকৃত তথ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি।
বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ডিও লেটার দিয়েছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। কিন্তু