সরকার নতুন পে-স্কেল বা নবম জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও এখনো গেজেট প্রকাশ, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক আদেশ জারি এবং সফটওয়্যারভিত্তিক বেতন নির্ধারণ ও হিসাব সমন্বয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নতুন পে স্কেল বা নবম জাতীয় বেতনকাঠামো চলতি জুলাই মাসেই বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে সরকার। সরকারের উচ্চপর্যায়ের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বিদ্যমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, রাজস্ব সক্ষমতা
প্রতি বছরের মতো এবারও জুলাই মাস এলেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে একটি বিষয় সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে—বাৎসরিক বেতন বৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্ট। ২০১৮ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা নিয়মিতভাবে প্রতি বছর জুলাই
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নে তিন ধাপের পরিবর্তে দুই ধাপে কার্যকর করার বিষয়ে সরকার নীতিগতভাবে এগোচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে। বুধবার (১ জুলাই) পর্যন্ত তিন ধাপে
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখেই সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, নতুন পে-স্কেল কার্যকর
বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নতুন অর্থবছরে বাড়বে- এটা নিশ্চিত করেছিলেন অর্থমন্ত্রী নিজেই। বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী পহেলা জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দিলেও এ নিয়ে এখনো চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ
নতুন জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের আগেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পুরোনো পে-স্কেল অনুযায়ী বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট (বেতন বৃদ্ধি) গ্রহণের অপশন চালু করায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক