সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের খসড়া চূড়ান্ত করার কাজ এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নতুন এই বেতন কাঠামোয় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, বিভিন্ন ধরনের ভাতা এবং সর্বোচ্চ
সরকারি চাকরিজীবীদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির (ইনক্রিমেন্ট) দীর্ঘদিনের প্রচলিত পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। এতদিন সব গ্রেডে প্রায় একই হারে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার যে ব্যবস্থা চালু ছিল, আসন্ন নবম
বর্তমান বিশ্বে সক্রিয় ওয়েবসাইটের সংখ্যা এখন ১০০ কোটিরও অনেক বেশি। তবে আজকের এই বিশাল ডিজিটাল বিশ্বের সূচনা ছিল অত্যন্ত ছোট পরিসরে। ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, ১৯৯৩ সালের শুরুতে গোটা
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন দেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসায় কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সুখবর এসেছে। তাদের ২০২৬ সালের মে ও জুন—উভয় মাসের বেতন-ভাতার সরকারি অংশের চেক ছাড় করা হয়েছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট
ডিজিটাল বেতন ব্যবস্থার সফটওয়্যারসংক্রান্ত জটিলতার কারণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) বাস্তবায়ন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্ভব হচ্ছে না। কারিগরি ও প্রশাসনিক বিভিন্ন জটিলতার কারণে ১ জুলাই
বেসরকারি কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা জুন-২০২৬ মাসের বেতন পেতে শুরু করেছেন। একই সঙ্গে বেসরকারি স্কুলের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টেও বেতনের অর্থ পাঠানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নতুন জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের দিকে এগোচ্ছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চললেও এবার বাস্তবায়নের পদ্ধতিতে বড়