দেশের বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় কর্মরত প্রায় চার লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এখনো চলতি বছরের জুন মাসের বেতন পাননি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মূলত তিনটি কারণে এবারের বেতন
বাংলাদেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনপ্রাপ্তির চিত্র যেন এক প্রকার দুঃখজনক রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। মাসের অর্ধেক বা শেষে বেতন পাওয়া যেন এখানে এক স্বাভাবিক ঘটনায় রূপ নিয়েছে, যেখানে বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই শিক্ষকদের
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট হালনাগাদের নির্দেশনা: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায় নতুন ধারা সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি ও বেসরকারি সব ধরনের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি এবং তা হালনাগাদের নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় চার লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা চলতি সপ্তাহেই জুন মাসের বেতন-ভাতা পেতে যাচ্ছেন এ ধরনের সংবাদ গত সপ্তাহ থেকেই শোনা যাচ্ছিল তবে আজ রবিবার এসে আবার
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় চার লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা চলতি সপ্তাহেই জুন মাসের বেতন-ভাতা পেতে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষকদের
বাংলাদেশের শিক্ষাখাত, বিশেষ করে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার ও সুফল নিশ্চিত করতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত। কিন্তু বাস্তবতা হলো, দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সরাসরি আবেদন জমা দেওয়ার প্রবণতা রোধে কড়া নির্দেশনা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ, পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে—সরাসরি মন্ত্রণালয়ে