1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন
Title :
৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দল থেকে বহিস্কৃত হলেন জামায়াতে ইসলামের আলোচিত সমালোচিত সেই এমপি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব কোনদিন যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানাল মাউশি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বাহিরে যেতে পারবেন না শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ কোনদিন জানাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জুলাইয়ের বেতন নিয়ে যা জানাল মন্ত্রণালয় MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে

যে ৩ (তিন)কারণে জুনের বেতনের দেরি যা জানাল মাউশি

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫
  • ২১৮৮ Time View
যে ৩ (তিন)কারণে জুনের বেতনের দেরি যা জানাল মাউশি

দেশের বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় কর্মরত প্রায় চার লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এখনো চলতি বছরের জুন মাসের বেতন পাননি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মূলত তিনটি কারণে এবারের বেতন প্রদানে বিলম্ব হয়েছে। তবে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় আগামীকাল বুধবারের (১৬ জুলাই) মধ্যেই শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের জুন মাসের বেতন পেয়ে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তবে মঙ্গলবার শিক্ষক কর্মচারীগণ বেতন পাবেন না এটা নিশ্চিত।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং এর আওতাধীন এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেল সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। ইএমআইএস সেলের প্রোগ্রামার-৫ মো: জহির উদ্দিন এক বক্তব্যে বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) ও বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের ইএফটি এক নয়। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রতিমাসে নতুন করে অনুমোদন নিতে হয়, যেখানে সরকারি কর্মীদের ক্ষেত্রে তা প্রয়োজন হয় না। ফলে ইএফটি চালু থাকা সত্ত্বেও শিক্ষক-কর্মচারীরা এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

ইএমআইএস সূত্রে আরও জানা যায়, গত ২৯ জুন মাউশির মাধ্যমে জুন মাসের বেতনের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ প্রায় ১০ দিনেও সেই প্রস্তাব অনুমোদন পায়নি। অবশেষে গত ১০ জুলাই বেতনের জিও (সরকারি আদেশ) জারি হলেও তা অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (এজি অফিস) বরাবর পাঠানো হয়নি। এ পর্যায়েও দায়িত্বহীনতা পরিলক্ষিত হয়। তিনদিন পর, গতকাল সোমবার (১৪ জুলাই) সেই জিও এজি অফিসে পাঠানো হয়েছে। ফলে আজ সন্ধ্যার পর অথবা আগামীকাল বুধবারের মধ্যে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা সম্পন্ন হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইএমআইএস সেলের এক কর্মকর্তা জানান, শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন প্রদানে তিনটি বড় ধরনের কারণ কাজ করেছে।

প্রথমতঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সময়মতো বেতনের প্রস্তাব (বিল) পাঠায়নি, যার ফলে পুরো প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়। আসলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কি বেতনের প্রস্তাব পাঠানোর তেমন কোন সুযোগ নাই তো।

দ্বিতীয়তঃ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অমনোযোগিতা ও যথাসময়ে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণে জিও জারিতে দেরি হয় এবং সেই জিও যথাসময়ে এজি অফিসে না পাঠানোর ফলে অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া আরও পিছিয়ে পড়ে। এই সমস্যাটি অন্যতম প্রধান সমস্যা যার সমাধান আদৌ কোনদিন হবে তা বলা মুশকিল।

তৃতীয়তঃ কাঠামোগত সীমাবদ্ধতাও রয়েছে—প্রতিমাসেই নতুন করে অনুমোদন চেয়ে বেতনের প্রস্তাব পাঠাতে হয়, যা একটি সময়সাপেক্ষ এবং বহুস্তরীয় প্রশাসনিক ধাপসমূহ অতিক্রম করতে হয়। এই কাঠামোগত জটিলতা কাটিয়ে না উঠলে ভবিষ্যতেও শিক্ষক-কর্মচারীরা ইএফটির সুফল থেকে বঞ্চিতই থেকে যাবেন। কিন্তু সে ব্যাপারে যে কৌশল গ্রহণ করা লাগবে তার কোন লক্ষণ মাউশির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে দেখা যায়। আসলে মাউশি নিজেও চায় কিনা যে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা সময়মতো বেতন ভাতা বুঝে পান বা তাদের ইএফটি সঠিক ভাবে পরিচালিত হউক।

এর আগে মে মাসের বেতন ও বৈশাখী ভাতা শিক্ষক-কর্মচারীরা পেয়েছেন। ঈদুল আজহার পূর্বে ৫০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতাও প্রদান করা হয়েছে। মে মাসে আরও কয়েকটি ধাপে বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়।

এর মধ্যে রয়েছে-

  • জুনের ১ম ধাপে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ২৪১ জন শিক্ষক-কর্মচারী; এর মধ্যে ২ লাখ ৯১ হাজার ৮০৫ জন স্কুল ও ৮৭ হাজার ৪৩৬ জন কলেজের।
  • এপ্রিলের ১ম ধাপে ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৯০৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী; এর মধ্যে ২ লাখ ৯১ হাজার ৫১৮ জন স্কুল ও ৮৭ হাজার ৩৮৯ জন কলেজের।
  • ডিসেম্বরের ৭ম ধাপে ১ হাজার ২৪২ জন; এর মধ্যে স্কুলের ৮৬৯ ও কলেজের ৩৭৩ জন।
  • জানুয়ারির ৪র্থ ধাপে ১ হাজার ৫৫৬ জন; এর মধ্যে ১ হাজার ১১৬ জন স্কুল ও ৪৪০ জন কলেজের।
  • ফেব্রুয়ারির ৩য় ধাপে (আংশিক) ১ হাজার ৫৭৩ জন; এর মধ্যে ১ হাজার ১২৭ জন স্কুল ও ৪৪৬ জন কলেজের।
  • মার্চের ২য় ধাপে (আংশিক) একই সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী অর্থাৎ ১ হাজার ৫৭৩ জন।

উল্লেখ্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) ব্যবস্থায় বেতন-ভাতা পেয়ে থাকলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের মাধ্যমে ‘অ্যানালগ’ পদ্ধতিতে অর্থ উত্তোলন করতেন, যা তাদের জন্য ভোগান্তির কারণ ছিল। এখন ধীরে ধীরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও ইএফটি সুবিধার আওতায় আসছেন।

উল্লেখ্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) ব্যবস্থায় বেতন-ভাতা পেয়ে থাকলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের মাধ্যমে ‘অ্যানালগ’ পদ্ধতিতে অর্থ উত্তোলন করতেন, যা তাদের জন্য ভোগান্তির কারণ ছিল। এখন ধীরে ধীরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও ইএফটি সুবিধার আওতায় আসছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme