বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রায় চার লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা চলতি সপ্তাহেই জুন মাসের বেতন-ভাতা পেতে যাচ্ছেন এ ধরনের সংবাদ গত সপ্তাহ থেকেই শোনা যাচ্ছিল তবে আজ রবিবার এসে আবার নতুন জটিলতা দেখা দিয়েছে এ বিষয়ে। বর্তমানে এ বিষয়ে যে খবর জানা গিয়েছে তা হলো প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পরও আজ তো বেতন শিক্ষক কর্মচারীগণ পায়নি এবং আগামীকাল পাবে কিনা সেটা নিয়েও সন্দেহ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষকদের জুন মাসের বেতনের শিট তৈরি করে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে, যা ব্যাংকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে শিগগিরই সংশ্লিষ্টদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছাবে এভাবেই কথা ছিল তবে আজ নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইএমআইএসসেলের এক কর্মকর্তার মাধ্যমে জানা গিয়েছে যে, আগামীকালও বেতন পাওয়ার সম্ভাবনা কম আগামী পরশু শিক্ষক কর্মচারীগণ তাদের জুন মাসের বেতন পেতে পারে।
শনিবার, ১২ জুলাই, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধীনস্থ এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেলের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানা যায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইএমআইএস সেলের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, “ইতোমধ্যে জুন মাসের বেতন-ভাতা প্রক্রিয়াকরণ কার্যক্রম প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। আমাদের আশা, অতি দ্রুত সময়ের মধ্যেই শিক্ষক ও কর্মচারীদের অ্যাকাউন্টে বেতন পৌঁছে যাবে।”
ইএমআইএস সেলের ওই কর্মকর্তা জানান, ‘দুই মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন, চিফ অ্যাকাউন্টস অফিস, আইবাস ডাবল প্লাস সফটওয়্যারে তথ্য আপডেটসহ নানা কারণে বেতন দিতে কিছুটা দেরি হয়ে গেল। আগামীকাল সোমবার বা পরের দিন দিনের মধ্যে বেতন-ভাতা পাবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।’
তিনি আরও জানান, প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আগামীকাল রোববার (১৩ জুলাই) অথবা পরের দিন সোমবার (১৪ জুলাই) সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ পাওয়ার কথা থাকলেও নুতন জটিলতার কারণে এই অনাকাঙ্খিত বিলম্ব। যা অতি দ্রুত সময়ে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দ্রুত কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এখন এই সময়টুকু সকলকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান মাউশি।
কিন্তু তারপরেও প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায় আরও তার হল প্রতিমাসেই একই বিষয়ের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। যা শিক্ষক কর্মচারীদের পক্ষে মেনে নেওয়াটা কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। এভাবে আর কতদিন?
এর আগে মে মাসের বেতন ও বৈশাখী ভাতা শিক্ষক-কর্মচারীরা পেয়েছেন। ঈদুল আজহার পূর্বে ৫০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতাও প্রদান করা হয়েছে। মে মাসে আরও কয়েকটি ধাপে বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়।
এর মধ্যে রয়েছে-
উল্লেখ্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) ব্যবস্থায় বেতন-ভাতা পেয়ে থাকলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের মাধ্যমে ‘অ্যানালগ’ পদ্ধতিতে অর্থ উত্তোলন করতেন, যা তাদের জন্য ভোগান্তির কারণ ছিল। এখন ধীরে ধীরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও ইএফটি সুবিধার আওতায় আসছেন।
উল্লেখ্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) ব্যবস্থায় বেতন-ভাতা পেয়ে থাকলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের মাধ্যমে ‘অ্যানালগ’ পদ্ধতিতে অর্থ উত্তোলন করতেন, যা তাদের জন্য ভোগান্তির কারণ ছিল। এখন ধীরে ধীরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও ইএফটি সুবিধার আওতায় আসছেন।
Leave a Reply