বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য শতাংশ হারে বাড়ি ভাতা নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ইতোমধ্যে ফাইল তুলেছে। বর্তমানে উক্ত ফাইলটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মিজানুর রহমানের
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের আর্থিক সংকটের কারণে নির্বাচনের আগে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন কোনো বেতন কাঠামো ঘোষণার সম্ভাবনা নেই বলে জানা গেছে। তবে সরকার ইতিমধ্যে একটি পে-কমিশন গঠন
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) অধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বর্তমানে ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (EFT) এর মাধ্যমে প্রদান করছে সরকার। তবে তথ্যগত নানা ত্রুটির কারণে প্রায় সাড়ে চার
এই দেশে সকল পেশাতেই কম বেশি অনেক বৈষম্য বিদ্যমান তা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে সেই বৈষম্যগুলো অন্যান্য পেশায় যেভাবে নিরসন হয় সেই একই ধারাবাহিকতায় কিন্তু এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেলায়
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত বহু শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন প্রদানে জটিলতা তৈরি হয়েছে। মূলত ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) সিস্টেমে প্রেরিত তথ্যের মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্রের
শিক্ষা একটি জাতির মেরুদণ্ড—এ কথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু এই মেরুদণ্ড শক্ত রাখার জন্য যারা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন, সেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা আজও ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত। সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী,
নির্বাচনের বাতাস বইতে শুরু করায় দেশের রাজনীতির মাঠে এখন নানা ধরনের হিসাব-নিকাশ চলছে। বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলো যেখানে নির্বাচন-পূর্ব ও নির্বাচন-পরবর্তী জোট, আসন ভাগাভাগি কিংবা কৌশলগত অবস্থান নিয়ে ব্যস্ত, সেখানে