এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নকে ঘিরে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও অসন্তোষ এখন প্রকাশ্যে রূপ নিতে শুরু করেছে। বছরের পর বছর ধরে নামমাত্র সম্মানী, পারিশ্রমিক পরিশোধে অস্বাভাবিক বিলম্ব এবং নানা
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়ে সরকার ইতোমধ্যে এগোতে শুরু করেছে। এ লক্ষ্যে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা করা
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় লিখিত (এমসিকিউ) ও মৌখিক পরীক্ষায় আলাদাভাবে পাস করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, দেশের শিক্ষকদের জন্য একটি স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো প্রণয়নের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি জানান, বর্তমান শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রীও এ
২০২৮ সালের মধ্যে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও আনন্দমুখর করতে সরকার ইতোমধ্যে নতুন
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ পরীক্ষার ভাইভা কার্যক্রম শুরু নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পুরো
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা বহুদিন ধরেই চলমান। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচিত হন শিক্ষকরা। কিন্তু মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়,