বাংলাদেশের নতুন পে–স্কেল প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত জাতীয় পে কমিশনের সুপারিশ জমা এবং বেতন কাঠামো কার্যকরের অগ্রগতিকে ঘিরে সচিবালয় কর্মকর্তা–কর্মচারীদের মধ্যে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা কিছুটা দূর হয়েছে। বুধবার দুপুরে
দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক–কর্মচারীদের জন্য বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন অবশেষে দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক–কর্মচারীরা অভিযোগ করে আসছিলেন যে জীবনযাত্রার ব্যয়, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে বাসাভাড়ার ক্রমবর্ধমান
নতুন শিক্ষাবর্ষ ২০২৬-কে সামনে রেখে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠ্যবই ছাপার কাজ বেশ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। ইতোমধ্যে বই ছাপার ৮০ শতাংশের বেশি সম্পন্ন হয়েছে। তবে মাধ্যমিক পর্যায়ে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ৭ম ও
পৃথিবীর সবকিছু যেন নিজের নিয়মে এগিয়ে চললেও বাংলাদেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবনযাত্রা যেন কোনদিনই স্বাভাবিক ধারায় চলতে পারে না। যেন অদৃশ্য কোনো শক্তি সবসময়ই তাদের পথরোধ করে দাঁড়িয়ে থাকে। এমপিওভুক্তদের যেকোনো
অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক গঠিত নবম পে কমিশনকে ঘিরে প্রথম দিকে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছিল। কমিশন ঘোষণার পর অর্থ উপদেষ্টা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে বর্তমান সরকারই নতুন বেতন
সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি—নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন—নিয়ে আবারও উত্তাপ বেড়েছে কর্মচারী মহলে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই রাজধানী ঢাকায় এক বিশাল মহাসমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনের নেতারা। পে কমিশনকে দেওয়া
আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নবম পে–স্কেল বাস্তবায়নের দাবিকে কেন্দ্র করে কর্মসূচি চূড়ান্ত করতে বসছেন দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কর্মরত কর্মচারীরা। এ লক্ষ্যে শনিবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী