নবম পে-স্কেল প্রণয়নের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে দায়িত্ব পালনকারী সচিবদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেছে জাতীয় পে-কমিশন। এসব বৈঠকে অধিকাংশ সচিবের অভিমত ছিল—বেতন কাঠামো নিয়ে আকাশচুম্বী বা অযৌক্তিক
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা তাদের তিন দফা দাবিদাওয়া আদায়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। সেই আন্দোলনের অংশ হিসেবে তারা বর্তমানে লাগাতার কর্মবিরতি পালন করছেন এবং আজ থেকে শুরু
নবম জাতীয় পে-স্কেলের সুপারিশ চূড়ান্ত করতে পে-কমিশন বর্তমানে দ্রুতগতিতে কাজ করছে। সুপারিশ প্রণয়নের অংশ হিসেবে সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়েছে। চারটি ধাপে
শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার জানিয়েছেন যে দেশের শিক্ষকতার পেশাগত উন্নয়ন, মর্যাদা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সংকট নিরসনে সরকার নতুন ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি
দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল ২০২৫–কে ঘিরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এখন তীব্র আগ্রহ ও আলোচনা চলছে। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির চাপ, এই পে স্কেলকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে
বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত পৌনে চার লাখের বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক–কর্মচারীর নভেম্বর মাসের বেতনের প্রস্তাব আগামী সপ্তাহের শুরুতেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ কারণে শিক্ষক–কর্মচারীরা তাদের বেতন আগামী ৬
নভেম্বর মাসের এমপিওভুক্ত শিক্ষক–কর্মচারীদের বেতন নিয়ে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। মাউশির কর্মকর্তাদের সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, আগামী সপ্তাহেই নভেম্বর মাসের এমপিও বিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হতে পারে। দেশের বিভিন্ন