দেশের সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নতুন পে স্কেল এখন আরও গভীর সংকটে পড়ে গেছে। একদিকে অর্থনৈতিক চাপ, মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের বৃদ্ধি—অন্যদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রশাসনিক জটিলতা ও সরকারের উদাসীনতা বিষয়টি
নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের একের পর এক হুমকি, হুঁশিয়ারি ও আল্টিমেটামের পরও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো ইতিবাচক ঘোষণা আসেনি। আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) কর্মচারী সংগঠনগুলোর দেওয়া
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এসব কার্যক্রম একাডেমিক শিক্ষার পরিপূরক হিসেবে শিক্ষার্থীদের মানসিক, শারীরিক ও সামাজিক বিকাশে
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সম্প্রতি জানিয়েছে, বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত শিক্ষকদের বদলির জন্য একটি বিশেষ সফটওয়্যার তৈরি করতে তারা টেলিটকের সঙ্গে চুক্তি করতে যাচ্ছে। রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের নেতারা নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহ আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য একটি চিঠি দিয়েছেন। এই চিঠি রবিবার (১৪
মাদরাসা শিক্ষকদের এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। এতে রোববার (১৪ ডিসেম্বর) নতুন করে ইস্যু করা এমপিও শিট অনুযায়ী মাদরাসার শিক্ষক ও কর্মচারীদের
নতুন পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে আগামীকাল রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন সরকারি কর্মচারী নেতারা। এর আগে সরকারি চাকরিজীবীরা ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন পে