নবম পে-স্কেল প্রণয়নকে কেন্দ্র করে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে কর্মরত সচিবদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেছে জাতীয় পে-কমিশন। এসব বৈঠকে সচিবরা স্পষ্টভাবে মতামত দিয়েছেন যে, নবম পে-স্কেল নিয়ে কোনো
শিক্ষক নেতা দেলাওয়ার হোসেন আজিজী—যিনি সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষা খাতে নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন—তার বিরুদ্ধেই এবার আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মিনিস্ট্রি অডিট’ বা মন্ত্রণালয়-নির্দেশিত নিরীক্ষা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। আগামী ৭ ও ৮ ডিসেম্বর
নবম পে-স্কেল প্রণয়নের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে দায়িত্ব পালনকারী সচিবদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেছে জাতীয় পে-কমিশন। এসব বৈঠকে অধিকাংশ সচিবের অভিমত ছিল—বেতন কাঠামো নিয়ে আকাশচুম্বী বা অযৌক্তিক
সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা পুনর্নির্ধারণ ও বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতীয় বেতন কমিশন ধারাবাহিকভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এজন্য কমিশন
শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার জানিয়েছেন যে দেশের শিক্ষকতার পেশাগত উন্নয়ন, মর্যাদা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সংকট নিরসনে সরকার নতুন ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি
দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল ২০২৫–কে ঘিরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এখন তীব্র আগ্রহ ও আলোচনা চলছে। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির চাপ, এই পে স্কেলকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে
বাংলাদেশে সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নকে সামনে রেখে সরকার তিন ধাপের একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ নির্ধারণ করেছে। দীর্ঘদিন ধরে পে স্কেল সংস্কারের দাবি উঠে আসছিল বিভিন্ন মহল থেকে। নতুন এই