এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের হিসাব করতে সময় বেশি লাগে, তবে সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে তা দ্রুত হয় কেন? — একটি গঠনমূলক বিশ্লেষণ বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হচ্ছে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক
পৌনে চার লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। চলতি জুলাই মাসে মোট ৩,৭৮,৪৫৭ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারী রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ২,৯১,২৬২ জন স্কুল পর্যায়ে
বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তম্ভ হলো বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। তাঁরা দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখছেন। অথচ, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ‘বিশেষ সুবিধা’ বিষয়ক একটি নতুন নির্দেশনা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। নির্দেশনাটি অনুযায়ী, জাতীয় বেতনস্কেলের তুলনায় গ্রেড-৯ ও তার ঊর্ধ্বে অবস্থানরত শিক্ষক-কর্মচারীরা প্রতি বছর ১ জুলাই
নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো প্রণয়নে জীবনযাত্রার ব্যয় ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক বাস্তবতা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নিচ্ছে পে-স্কেল কমিশন নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত পে-স্কেল কমিশন দেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বাড়ছে। চলতি জুলাই মাসের বেতন তারা যখন আগষ্ট মাসে পাবেন তখন থেকেই তারা বর্ধিত বেতন পাবেন। তবে বেতন কতটুকু বাড়ছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়ন করতে ২২ সদস্যবিশিষ্ট একটি জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করেছে সরকার। এই কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক অর্থসচিব এবং বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক