1. admin@kp-nat.com : admin : Ayub Ali
  2. ayub.bhs@gmail.com : Ayub ali : Ayub ali
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
Title :
MPO মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে তৈরি হয়েছে যে কারণে অনিশ্চয়তা এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদনের অনুমতি চেয়ে চিঠি কবে, জানালেন মাউশি বেসরকারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগের ক্ষমতা আবারও ম্যানেজিং কমিটির হাতে এনটিআরসিএ-র নবম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে যে সকল বিষয়ে পে স্কেল যে কারণে স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের স্পেন ও আর্জেন্টিনা মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি লাইভ দেখুন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বকেয়া বেতন কোনদিন পাবে জানাল মাউশি এমপিও শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যে জটিলতার আশংকায় এনটিআরসিএ এমপিও মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য যে সময়ের মধ্যে যেভাবে হালনাগাদ করতে হবে পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন সমীকরণ

এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের জুলাইয়ের বেতন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন বিষয়ে যা জানাল মাউশি

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫
  • ১০৮৮ Time View
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের জুলাইয়ের বেতন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন বিষয়ে যা জানাল মাউশি

পৌনে চার লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। চলতি জুলাই মাসে মোট ৩,৭৮,৪৫৭ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারী রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ২,৯১,২৬২ জন স্কুল পর্যায়ে এবং ৮৭,১৯৫ জন কলেজ পর্যায়ে কর্মরত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেখানে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি)-এর মাধ্যমে সরাসরি বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন, সেখানে দীর্ঘদিন ধরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের বেতন পাচ্ছিলেন রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের মাধ্যমে ‘অ্যানালগ’ পদ্ধতিতে। এ কারণে শিক্ষকরা প্রায়ই বেতন তুলতে গিয়ে দীর্ঘ লাইন, বিলম্ব ও নানা ধরনের হয়রানির মুখোমুখি হতেন। তবে আশার বিষয়, বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও ধীরে ধীরে ইএফটি সুবিধার আওতায় আসতে শুরু করেছেন, যা একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তবে এই সুবিধা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে কিছু জটিলতা এখনো রয়ে গেছে। অনেক শিক্ষক-কর্মচারী এখনও সময়মতো ইএফটি সুবিধা পাচ্ছেন না। এর পেছনে অন্যতম কারণ হলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ইএমআইএস (EMIS) সেলে কর্মরত অস্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বে অবহেলা এবং উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের গাফিলতি। ফলে এই অব্যবস্থাপনা দূর করা না গেলে শিক্ষকরা কাঙ্ক্ষিত সুফল থেকে বঞ্চিত হতে থাকবেন। বিষয়টি দ্রুত সমাধানে যথাযথ প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

এর আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা জুন মাসের বেতন পেয়েছেন ১৫ জুলাইয়ের পর। এ অবস্থায় জুলাইয়ের বেতন কবে পাবেন সেই দুশ্চিন্তায় রয়েছে প্রায় পৌনে চার লাখ শিক্ষক-কর্মচারী। তবে আজ জুলাই মাসের বেতনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে বিধায় আর নতুন কোন জটিলতা যদি মাউশি তৈরি না করে তাহলে আগষ্টের শুরুতেই জুলাইয়ের বেতন পাওয়া যাবে।

এর পূর্বে ইএফটিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীগণ যেভাবে ইএফটির আওতাভুক্ত হয়ে বেতন পেয়েছেন তার মধ্যে রয়েছে-

  • জুলাই মাসে ১ম ধাপে মোট ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৯০৭ জন শিক্ষক ও কর্মচারীর বেতন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে স্কুল পর্যায়ে রয়েছেন ২ লাখ ৯১ হাজার ৫১৮ জন এবং কলেজ পর্যায়ে রয়েছেন ৮৭ হাজার ৩৮৯ জন।
  • জুনের ১ম ধাপে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ২৪১ জন শিক্ষক-কর্মচারী; এর মধ্যে ২ লাখ ৯১ হাজার ৮০৫ জন স্কুল ও ৮৭ হাজার ৪৩৬ জন কলেজের।
  • এপ্রিলের ১ম ধাপে ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৯০৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী; এর মধ্যে ২ লাখ ৯১ হাজার ৫১৮ জন স্কুল ও ৮৭ হাজার ৩৮৯ জন কলেজের।
  • ডিসেম্বরের ৭ম ধাপে ১ হাজার ২৪২ জন; এর মধ্যে স্কুলের ৮৬৯ ও কলেজের ৩৭৩ জন।
  • জানুয়ারির ৪র্থ ধাপে ১ হাজার ৫৫৬ জন; এর মধ্যে ১ হাজার ১১৬ জন স্কুল ও ৪৪০ জন কলেজের।
  • ফেব্রুয়ারির ৩য় ধাপে (আংশিক) ১ হাজার ৫৭৩ জন; এর মধ্যে ১ হাজার ১২৭ জন স্কুল ও ৪৪৬ জন কলেজের।
  • মার্চের ২য় ধাপে (আংশিক) একই সংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারী অর্থাৎ ১ হাজার ৫৭৩ জন।

উল্লেখ্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) ব্যবস্থায় বেতন-ভাতা পেয়ে থাকলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের মাধ্যমে ‘অ্যানালগ’ পদ্ধতিতে অর্থ উত্তোলন করতেন, যা তাদের জন্য ভোগান্তির কারণ ছিল। এখন ধীরে ধীরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও ইএফটি সুবিধার আওতায় আসছেন। তবে এখনও ইএফটি বলতে যে ধরনের সুবিধা বোঝায় তা কিন্তু মাউশি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সদ্বিচ্ছার অভাবে তা এখনও এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের কাছে সোনার হরিণের ন্যায়।

উল্লেখ্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) ব্যবস্থায় বেতন-ভাতা পেয়ে থাকলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের মাধ্যমে ‘অ্যানালগ’ পদ্ধতিতে অর্থ উত্তোলন করতেন, যা তাদের জন্য ভোগান্তির কারণ ছিল। এখন ধীরে ধীরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও ইএফটি সুবিধার আওতায় আসছেন। তবে এখানেও রয়েছে হতাশার বিষয় কেননা মাউশি থেকে পরিস্কার ভাবে জানানো হয়েছে যে, সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ইএফটিও ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের এক নয়। সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ইএফটির জন্য প্রতি মাসে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হয় না। কিন্তু এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য বাস্তবায়িত ইএফটিতে প্রতিমাসে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হয় বিধায় অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হয়। আর একারণেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীগণ ইএফটির পরিপূর্ণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এখন ভবিষ্যতে এই সমস্যা কতটুকু দুর করতে পারবে মাউশি তা দেখার বিষয়। তবে মাউশি যাই বলুক না কেন মাউশি যদি ইচ্ছা করে তাহলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন মাসের শুরুতেই অর্থ্যাৎ ১-৪ তারিখের মধ্যে দেওয়া সম্ভব কেননা অতীতে মাউশি তা করে দেখিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমার খবর
© All rights reserved © 2025 Kisukhoner Pathshala
Customized By BlogTheme