সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে ডাকা রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষ হয়েছে। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেল তিনটায় শুরু হওয়া এ বৈঠক রাত আটটা পর্যন্ত চলে। দীর্ঘ এই বৈঠকে পে-স্কেল সংক্রান্ত
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে ডাকা জাতীয় বেতন কমিশনের (পে-কমিশন) রুদ্ধদ্বার বৈঠক এখনো শেষ হয়নি। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া এ সভা সন্ধ্যা ৭টার পরও চলমান
নতুন জাতীয় পে-স্কেল প্রণয়নের পুরো প্রক্রিয়াটি এখন এমন এক পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে কার্যত আমলা ও সচিবদের মতামতই চূড়ান্ত রূপ পাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শুরু থেকেই সচিবদের একটি প্রভাবশালী
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেলের সুপারিশ চূড়ান্ত করতে বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) ফের বৈঠকে বসছে জাতীয় বেতন কমিশন (পে কমিশন)। সচিবালয়ে বেলা ৩টায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ সভায় পে-স্কেল সংক্রান্ত
বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য অতিরিক্ত পেশায় সম্পৃক্ততার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, মসজিদের পূর্ণকালীন ইমামতি, দোকান বা ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনাসহ মোট ১১টি পেশায়
নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠন থেকে পাওয়া মতামতগুলো চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে জাতীয় বেতন কমিশন (পে-কমিশন)। তবে এখনো কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন লেখার কাজ সম্পন্ন হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেশের সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নতুন পে স্কেল এখন আরও গভীর সংকটে পড়ে গেছে। একদিকে অর্থনৈতিক চাপ, মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের বৃদ্ধি—অন্যদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রশাসনিক জটিলতা ও সরকারের উদাসীনতা বিষয়টি