মন্দের ভাল বলা ছাড়া উপায় নেই। কারণ শিক্ষকদের দুর্দশার কথা চিন্তা করে সরকার ব্যবস্থার পক্ষ থেকে যে সুযোগ প্রদান করা হয়েছে এবং ব্যাংকিং সেক্টরের কর্তব্যরত ভাইবোনেরা যে ঈদের ছুটি উপেক্ষা
কোথায় থেকে শুরু করব কিভাবে শুরু করব ভেবে পাচ্ছি না। শুধু একটা কথা মাথার মধ্যে আসতেছে তা হলো কেন আমাদের সাথে এত অবহেলা, কেন আমাদের সাথে এত অন্যায় কেউ কি
অবশেষে হয়তবা এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ও বোনাসের ভাগ্যের দুয়ারে মনে হয় সুদিন আসতে চলেছে। আগামীকাল হয়তবা অধিকাংশ এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা বেতন ও উৎসব ভাতা উত্তোলনের সুযোগ পাবেন বলে আশা
এদশের যারা নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে আছে তাদের বিবেক বুদ্ধি দেখলে এককথায় বলতে ইচ্ছা করে ঘৃণা হয় আপনদের বিবেক বুদ্ধি, ঘৃণা হয় আপনদের রাষ্ট্র পরিচালনার নিয়মনীতিতে। রাষ্ট্রের ব্যর্থতার কারণে এমপিওভুক্ত শিক্ষক
এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের ঈদুল ফিতরের ঈদ উপলক্ষে উৎসব ভাতার দ্বিতীয় ধাপের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একাধিক কর্মকর্তা এ
কিভাবে শুরু করব ভাবছিলাম এমন সময় টিভিতে একটি টিক শো শুরু হল তার দিকে দৃষ্টি ফেরাতেই দেখি সেখানে একটি পত্রিকার শিরোনাম এমন যে বেতন ভাতা ছাড়াই সাড়ে তিনি লক্ষ শিক্ষকের
‘স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদ উৎসব ভাতা এবং বেতনের সব কাজ শেষ করা হয়েছে। বাকি কাজ ব্যাংকের। ব্যাংকের বিষয়টি আমাদের হাতে নেই। আশা করছি বৃহস্পতিবারের মধ্যে শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন-ভাতার অর্থ তুলতে