ভাগ্যের নির্মমতার বেড়াজালে বন্দি এদেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীবৃন্দ। প্রতিবারই তারা কোন না কোন ভাবে ভাগ্যের নির্মমতার বলি হয়। সকলের বেলায় একরকম নিয়ম এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেলায় নিয়মের পরিবর্তন যেন এক সময়ের
দেশ অনেক এগিয়ে গেছে পূর্বের পলাতক সরকার একথা সকল সময় সকল কাজে প্রকাশ করত গর্ব ভরে। আর বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সেই অগ্রগামী দেশের আসল ও গুণগত চিত্র
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীগণ এদেশের জন্য যতটুকু প্রয়োজন মেটায় তা কি অন্য কোন পেশাজীবির চেয়ে কোন অংশে কম, আমরা এদেশকে যতটুকু দেওয়ার চেষ্টা করি বা করে আসছি বিগত দিন গুলো থেকে
দেশ স্বাধীন হয়েছে ৫৪ বছর পূর্বে, প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণ শুরু হয়েছে সেই ১০৮১ইং সালে সেই হিসাবে ৪৪ বছর পূর্বে। আর এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের উৎসব ভাতা চালূ হয়েছে সেই আজ থেকে প্রায়
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মাউশি মহাপরিচালক হিসেবে পদায়ন পেয়েছেন অধ্যাপক ড. আজাদ খান। তিনি জামালপুরের আশেক মাহমুদ কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক। বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের ১৪তম ব্যাচের এ কর্মকর্তা মাউশির দায়িত্ব নেওয়ার পর
মাউশি মহপরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আজাদ খান বলেছেন, ইএফটিতে বেতন-বোনাস নিয়ে আলোচনা সমালোচনার শেষ নেই। আমাদের কাজের দোষ ত্রুটি ধরতে সবাই ব্যস্ত। একটু ধৈর্য ধরুন, আমরা সব আপডেট করবো এবং
ঈদের আগে বিশেষ ব্যবস্থায় ব্যাংক থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও উৎসব ভাতার টাকা উত্তোলন করেছেন স্কুল-কলেজের সাড়ে তিন লাখের বেশি শিক্ষক। যদিও এখনো কেউ কেউ বেতন পাননি বলে অভিযোগ করছেন।