এদেশের অনেক গুলো চিরসত্য বিষয় রয়েছে, যেমনটা প্রত্যেক দেশে তথা পৃথিবীতে রয়েছে। সূর্য পূর্ব দিকে উঠে, আর পশ্চিম দিকে অস্ত যায়। এরকম বিষয়গুলি তেমনি আরও কতগুলি বিষয় আছে তার মধ্যে
এদেশের ৯৭ থেকে ৯৮ ভাগ ছেলেমেয়েদের শিক্ষা দানের কাজে প্রতিনিয়ত আমরা ব্যস্ত থাকি। হ্যাঁ বলতে পারেন কখনও আমরা সফল হই কখনও আমরা সফল হই না। কিন্তু পরিশ্রম তো করি। তাহলে
‘স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদ উৎসব ভাতা এবং বেতনের সব কাজ শেষ করা হয়েছে। বাকি কাজ ব্যাংকের। ব্যাংকের বিষয়টি আমাদের হাতে নেই। আশা করছি বৃহস্পতিবারের মধ্যে শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন-ভাতার অর্থ তুলতে
সরিষার ভিতরেই কি ভুত লুকিয়ে আছে? ভাল করে গভীর ভাবে বিষয়টা নিয়ে একটু ভেবে দেখেন তো? এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন নিয়ে প্রহসন, বেতন নিয়ে কালক্ষেপণ ও বিভিন্ন অজুহাত দূরীকরণের জন্য
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন বোনাসের দিনক্ষণ ও তারিখ নিয়ে প্রতিনিয়ত, প্রতিদিন ও প্রতিঘন্টায় নতুন নতুন ডাইমেনশন তৈরি হয়। বাংলাদেশে অবশ্যই পৃথিবীতে আর অন্য কোন দেশের অন্য কোন পেশাজীবিদের সাথে এধরনের
বৈষম্য আর এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের জীবন যেন একসুতোয় গাঁথা সকল সময় সকল কাজে আমাদের সাথে বৈষম্য মুলক আচরণ করা যেন এদেশের তথা এদেশের আমালাদের নিত্য নৈমিত্তিক কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাইহোক
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বৈষম্য নিরসনের বার্তা নিয়ে হাজির হয় ইএফটি। কিন্তু এর ফলে যে, এই পরিমাণ মুল্য পরিশোধ করতে হবে তা কি আমরা জানতাম। আমরা কি তখন জানতাম যে, ৩