মন্দের ভাল বলা ছাড়া উপায় নেই। কারণ শিক্ষকদের দুর্দশার কথা চিন্তা করে সরকার ব্যবস্থার পক্ষ থেকে যে সুযোগ প্রদান করা হয়েছে এবং ব্যাংকিং সেক্টরের কর্তব্যরত ভাইবোনেরা যে ঈদের ছুটি উপেক্ষা করে আমাদের জন্য যে কষ্ট স্বীকার করছেন তার জন্য তারা অবশ্যই ধন্যবাদ পাওয়ার দাবি রাখে। পাশাপাশি যাদের জন্য এ-ই অবস্থার অবতারণা হয়েছে তাদের কে যদি তাদের পাওনা না বুঝিয়ে দেওয়া হয়ে সেটাও হবে অন্যন।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ও উৎসবভাতা পরিশোধের জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংক খোলা থাকবে আজ। শুক্রবার (২৮ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকে মাত্র দুই ঘণ্টার জন্য লেনদেন কার্যক্রম চালু থাকবে। এই সংক্ষিপ্ত সময়ে সাড়ে তিন লাখেরও বেশি শিক্ষক-কর্মচারী টাকা উত্তোলন করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।
আরও পড়ুন…..আমাদের আজকের পরিস্থিতির জন্য কি আমরা নিজেরাই দায়ী নই?
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) চার ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
চিঠিতে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং কর্মচারীদের ঈদুল ফিতরের আগেই বেতন-ভাতা তোলার সুবিধার্থে এসব ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখা শুক্রবার খোলা থাকবে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত রাষ্ট্রায়াত্ত এসব ব্যাংক খোলা থাকবে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত লেনদেন করা যাবে। দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত জুমাতুল বিদার বিরতি থাকবে।
এদিকে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের তীব্র ক্ষোভের মুখে শেষসময়ে এসে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় একদিন অতিরিক্ত ব্যাংক খোলা রাখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে এসব উদ্যোগ লোকদেখানো বলেও অভিহিত করেছেন বেতন ও উৎসবভাতা বঞ্চিত শিক্ষকরা। তারা বলছেন, মাত্র দুই ঘণ্টা সময়ের মধ্যে অনেক শিক্ষকই বেতন তুলতে পারবেন না।
এমপিও শিক্ষকদের অভিযোগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অবহেলা, অদক্ষতা ও নিষ্ঠুরতার শিকার সাড়ে তিন লাখের বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী। তাদের সরকারি সহকর্মীরা মার্চ মাসের বেতন ও উৎসবভাতার টাকা পেয়ে গেছেন। অথচ ইএফটি নামক জুজু দেখিয়ে অনেক বেসরকারি শিক্ষক ডিসেম্বর থেকে বেতন পাচ্ছেন না।
পিরশেষে বলব যদি এ-ই সময় দিয়ে হয়তবা পরিপূর্ণ তৃপ্তি হবে না, সকলে টাকা উঠাতে পারবে না তারপরও কম কি?
Leave a Reply