বাংলাদেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত ইনডেক্সধারী কর্মচারীরা বহুদিন ধরেই একটি যৌক্তিক দাবি জানিয়ে আসছেন—তাদের জন্য সর্বজনীন বদলি ব্যবস্থা চালু করা হোক। আজ সোমবার প্রধান উপদেষ্টা বরাবর এই দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা দীর্ঘদিন ধরে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কে সীমাবদ্ধ রয়েছে। বর্তমানে তারা মাসিক মাত্র ১ হাজার টাকা হারে বাড়ি ভাড়া পাচ্ছেন, যা কোনোভাবেই বাস্তব জীবনের
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম বড় একটি স্তম্ভ হলো বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। এরা দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখছে, অথচ বছরের পর বছর ধরে অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। সম্প্রতি বাড়িভাড়া
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন থেকে বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার
বাংলাদেশের বেসরকারি মাধ্যমিক ও কারিগরি শিক্ষা খাতের শিক্ষকদের প্রতি সরকারের সাম্প্রতিক ৫০০ টাকা বাড়িভাড়া বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপনকে “তামাশা” আখ্যা দিয়ে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ মাধ্যমিক কারিগরি শিক্ষক পরিষদ। রবিবার (৫
বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৫-এ শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরারের ঘোষণার মাধ্যমে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তনের দ্বার উন্মোচিত হয়েছে—এবং সেই পরিবর্তন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ম্যানেজিং কমিটির ঐতিহ্যবাহী নিয়োগক্ষমতার সমাপ্তি টেনে দিয়েছে। এখন থেকে
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি আবারো নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সম্প্রতি একটি পরিপত্র জারি করে শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ভাতা ১ হাজার টাকা থেকে ১ হাজার