বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রায়ই একটি প্রশ্ন সামনে আসে—শিক্ষা কি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুসরণ করে পরিচালিত হবে, নাকি তা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও প্রশাসনিক নির্দেশনার ওপর নির্ভরশীল থাকবে? সম্প্রতি
বাংলাদেশ সরকারের ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের সব সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আগামী
আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এই নতুন বেতনকাঠামোর আওতায় এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরাও অন্তর্ভুক্ত হবেন। তবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে একই সময়ে নয়,
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জুন ২০২৬ মাসের বেতনের পেমেন্ট তালিকা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) ড্যাশবোর্ডে দৃশ্যমান করা হয়েছে। এতে বেতন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হলেও
দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী জুলাই মাস থেকেই ধাপে ধাপে নতুন বেতনকাঠামো
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের আইসিটি বিষয়ে দক্ষ প্রশিক্ষক (ট্রেইনার) হিসেবে গড়ে তুলতে দেশব্যাপী আবেদন আহ্বান করেছে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে অভিজ্ঞতা
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের ভাইভা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে নেওয়া হচ্ছে না। এ বিষয়ে যেসব বিভ্রান্তি