এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ফেব্রয়ারী মাসের বেতন নিয়ে স্বস্তির খবর প্রকাশিত হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ও ভাতার সরকারি অংশ ছাড়ের প্রায় সকল কাজই শেষ করে ফেলেছে। ফলে শিগগিরই সংশ্লিষ্ট
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। আগামী সপ্তাহ থেকেই এ কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ১০ শতাংশ বাড়িয়ে মূল বেতনের ৬০ শতাংশ করার প্রস্তাব জানিয়ে অর্থমন্ত্রীর কাছে একটি ডিও (ডেমি-অফিসিয়াল) লেটার পাঠানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এই
দেশের ২১ হাজারের বেশি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনলাইনে তথ্য হালনাগাদ (ই-রেজিস্ট্রেশন) সম্পন্ন করেছে। এর ফলে এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক দরকার হলে তারা শূন্য পদের তথ্য দিতে পারবে বলে জানা গেছে। বেসরকারি শিক্ষক
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ১০ শতাংশ বাড়িয়ে মূল বেতনের ৬০ শতাংশ করার প্রস্তাব জানিয়ে অর্থমন্ত্রীর কাছে একটি ডিও (ডেমি-অফিসিয়াল) লেটার পাঠানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এই
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ১০ শতাংশ বাড়িয়ে মূল বেতনের ৬০ শতাংশ করার প্রস্তাব জানিয়ে অর্থমন্ত্রীর কাছে একটি ডিও (ডেমি-অফিসিয়াল) লেটার পাঠানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এই
বেসরকারী স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য সুখবর। বিগত ঈদুল আযহা থেকে শিক্ষকরা ৫০% হারে উৎসব ভাতা পাচ্ছেন, যেখানে আগে মাত্র ২৫% হতো। কর্মচারীদের