বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত পৌনে চার লাখেরও বেশি শিক্ষক-কর্মচারীর এপ্রিল মাসের বেতন-ভাতার ফাইল এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এখনো এ সংক্রান্ত অনুমোদন জারি না হওয়ায় চলতি মাসে
১ম থেকে ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের বিষয়ে সরকার ইতিবাচক অবস্থান গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে, এই নিবন্ধনধারীদের মধ্যে যারা এখনো পর্যন্ত নিয়োগের জন্য সুপারিশ পাননি, তাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ
বাস্তবায়নের পথে থাকা নতুন পে-স্কেল নিয়ে সরকার ইতোমধ্যেই একটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য প্রাথমিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যা ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে কার্যকর করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় বেতন কমিশনের
বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত পৌনে চার লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারীর এপ্রিল মাসের বেতন এখনো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পায়নি। ফলে চলতি সপ্তাহে তাদের এপ্রিল মাসের বেতন-ভাতা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানা
বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির জন্য সংশোধিত নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে নীতিমালা জারি হলেও তা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার আপডেট না হওয়া পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে কোনো
একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুইজনের বেশি শিক্ষক বদলি হতে পারবেন না—এমন বিধান রাখা হয়েছে ‘সংশোধিত বদলি নীতিমালায়’। আজ বুধবার বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য এই সংশোধিত
বহু বছর ধরে জাল সনদ ব্যবহার করে শিক্ষকতা করে আসা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব শিক্ষক রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে যে অর্থ গ্রহণ করেছেন, তা ফেরত নেওয়ার