বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এখন থেকে প্রতি দুই বছর অন্তর বদলির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলেও বদলির আবেদন করার সুযোগ রাখা
বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর করার লক্ষ্যে সংশোধিত বদলি নীতিমালা জারি করা হয়েছে। বুধবার (৬ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে চলমান জটিলতা ও বিতর্ক যেন শেষ হওয়ার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। বিভিন্ন দাবি-দাওয়া, পাল্টা দাবি এবং একাধিক রিট আবেদনের পর নিয়োগ
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর সুবিধার অর্থ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে ২০২২ খ্রিষ্টাব্দের জুন মাস পর্যন্ত যারা অবসর সুবিধার জন্য আবেদন করেছেন, তাদেরকে অবশ্যই
এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া বেতন ও বিভিন্ন উৎসব ভাতা পরিশোধের লক্ষ্যে একটি আর্থিক প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ২০২৫ সালের মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত সময়ের জন্য মোট
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি কার্যক্রম চালুর বিষয়ে মৌখিক সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর ফলে এতদিন ধরে বদলি চালুর ক্ষেত্রে যে প্রশাসনিক জটিলতা ও অনিশ্চয়তা ছিল, তা অনেকটাই
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে থাকা বদলি কার্যক্রমে আবারও গতি ফিরে এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বদলির প্রক্রিয়াসংক্রান্ত ফাইলটি ইতোমধ্যে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রস্তুত করে