বাংলাদেশে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা বহুদিন ধরেই বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতার অস্বাভাবিক কম পরিমাণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলেন। বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যহীন এই ভাতাগুলো শিক্ষক সমাজের জন্য ছিল এক
শিক্ষা মন্ত্রণালয় অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য আবারও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, আর সব শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না। এবার কেবলমাত্র অষ্টম শ্রেণির
দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতদিন পর্যন্ত এসব পদে নিয়োগের দায়িত্ব ছিল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির হাতে। কিন্তু
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ভেঙে দুটি নতুন অধিদপ্তর গঠনের প্রস্তাব ঘিরে শিক্ষাক্ষেত্রে এক ধরনের দ্বিমুখী বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা ও সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা
সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কতিপয় প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ক্ষমতা প্রয়োগ করে বিগত সময়ে বিদ্যালয় পরিচালনা করেছেন যা এখনো বিদ্যমান। যা প্রাতিষ্ঠানিক শৃংখলা পরিপন্থী হিসেবে বিবেচিত। বিদ্যালয়ের
বাংলাদেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবন অনেকটা তীর্থযাত্রী কাকের মতো। তাদের প্রতিটি পদক্ষেপে, প্রতিটি প্রাপ্তিতে, এমনকি মৌলিক অধিকার আদায়েও অপেক্ষার প্রহর গুনতে হয়। এ জীবনের কষ্ট, অনিশ্চয়তা আর হতাশা কেবল তারাই গভীরভাবে
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালনের লক্ষ্যে দেশের মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ