বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি হলো বাড়ি ভাড়া ভাতা শতাংশ হারে প্রদান করা। বর্তমানে তারা ফিক্সড (স্থির) হারে বাড়ি ভাড়া পাচ্ছেন, যা তাদের জীবনযাত্রার ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সম্প্রতি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা ৫০০ টাকা বাড়িয়ে ১৫০০ টাকায় উন্নীত করার সরকারি সিদ্ধান্ত শিক্ষক সমাজ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল—বাড়িভাড়া মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে নির্ধারণ করা হোক।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আসছে নতুন পে-স্কেল। জাতীয় বেতন কমিশন আগামী ছয় মাসের মধ্যে এ সংক্রান্ত সুপারিশ জমা দিতে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। সাধারণ নাগরিকদের কাছে এরই মধ্যে বেতন কাঠামো কেমন চায়
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা দীর্ঘদিন ধরে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কে সীমাবদ্ধ রয়েছে। বর্তমানে তারা মাসিক মাত্র ১ হাজার টাকা হারে বাড়ি ভাড়া পাচ্ছেন, যা কোনোভাবেই বাস্তব জীবনের
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম বড় একটি স্তম্ভ হলো বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। এরা দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখছে, অথচ বছরের পর বছর ধরে অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। সম্প্রতি বাড়িভাড়া
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন থেকে বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার
বাংলাদেশের বেসরকারি মাধ্যমিক ও কারিগরি শিক্ষা খাতের শিক্ষকদের প্রতি সরকারের সাম্প্রতিক ৫০০ টাকা বাড়িভাড়া বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপনকে “তামাশা” আখ্যা দিয়ে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ মাধ্যমিক কারিগরি শিক্ষক পরিষদ। রবিবার (৫