বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবির মুখে অবশেষে সরকার ৫০০ টাকা বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন বাতিলের পথে হাঁটছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি অনুযায়ী তাদের বাড়ি ভাড়া শতাংশ হারে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা শতাংশ হারে বৃদ্ধির দাবিকে কেন্দ্র করে সরকারের ভেতরে যেমন গোপনীয় বৈঠক চলছে, তেমনি মাঠ পর্যায়ে শিক্ষকদের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠছে। বুধবার (৮ অক্টোবর)
বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল নির্ধারণের আলোচনায় এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় হচ্ছে—গ্রেড সংখ্যা কমানো, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত হ্রাস এবং কর্মচারীদের সুবিধা পুনর্বহাল। পে কমিশন উন্মুক্ত মতামত
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা নিয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা নিরসনের লক্ষ্যে শিক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে বৈঠকে বসছে। আগামী বুধবার (৮ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় অর্থ
বাংলাদেশের অর্থনীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় এক অদ্ভুত বৈপরীত্য চোখে পড়ে—সরকারি খাতে বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা ঢালতে দ্বিধা নেই, অথচ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মেরুদণ্ড এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজের ন্যূনতম
সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন স্কেল নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলমান থাকাকালে গ্রেড একীভূতকরণের একটি প্রস্তাব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। কর্মচারীদের বিভিন্ন ফোরাম এবং অংশীজনরা মত দিয়েছেন যে, ২০ নং
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি হলো বাড়ি ভাড়া ভাতা শতাংশ হারে প্রদান করা। বর্তমানে তারা ফিক্সড (স্থির) হারে বাড়ি ভাড়া পাচ্ছেন, যা তাদের জীবনযাত্রার ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।