সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের সুপারিশ চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে কর্মজীবীদের বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশন ও সমিতির প্রতিনিধিদের সঙ্গে একের পর এক মতবিনিময় সভা করছে পে কমিশন। গত সপ্তাহেই এমন দেড় শতাধিক
একসময় দেশের এমপিওভুক্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা ব্যাংক চেকের মাধ্যমে বেতন-ভাতা পেতেন। এতে প্রতিমাসেই লাখ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীকে নানা ভোগান্তির শিকার হতে হতো। এই জটিলতা দূর করতে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে চালু
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন পে–স্কেল বাস্তবায়নে বাড়তি অর্থের চাপ আসবে ঠিকই, তবে রাজস্ব আহরণ বাড়িয়ে সেই চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব—এমন মত দিয়েছে অর্থ বিভাগ। দেশের একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মেরুদণ্ড বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো, আর সেই প্রতিষ্ঠানগুলো টিকে আছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ঘামে ও মেধায়। অথচ এদের জীবনে এক অদ্ভুত নিয়মে জেঁকে বসেছে আর্থিক অনিশ্চয়তা। প্রতি মাসের শুরু মানেই
বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য হতে আবেদন করেছেন ৮০ জন। সূত্রমতে, আবেদনকারীদের অধিকাংশই বিএনপি ও জামায়াতপন্থি শিক্ষক। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির দুই সদস্যও এ দুটি সংস্থার
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলো থেকে বিএড ডিগ্রি নেওয়া শিক্ষকদের স্কেল সমস্যা নিরসনে অবশেষে উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যার কারণে দেশের হাজার হাজার শিক্ষক তাদের প্রাপ্ত ডিগ্রির স্বীকৃতি
টানা আটদিনের শিক্ষক আন্দোলনের ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার যে ক্ষতি হয়েছে, তা পূরণে সপ্তাহের শনিবারগুলোতে ক্লাস নেওয়ার বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী জোটের সদস্যসচিব ও শিক্ষানেতা অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী। তিনি