নবম জাতীয় পে-স্কেলে বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব স্তরের শিক্ষকদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামো বা স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের দাবি দীর্ঘদিনের। শুরুতে এ দাবি নিয়ে পে-কমিশন ইতিবাচক মনোভাব দেখালেও সুপারিশ চূড়ান্ত করার একেবারে শেষ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসায় সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের ঘোষণা থেকে সরে আসছে বর্তমান সরকার। তবে এ জন্য গঠিত পে-কমিশনকে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা
নির্বাচনের আগে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করে আসছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ দাবিতে একাধিকবার আল্টিমেটাম দেওয়া হলেও সরকার কিংবা পে কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান সাড়া মেলেনি। এরই
বেসরকারী এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৬৭ হাজার ২০৮টি শূন্য পদের বিপরীতে শিক্ষক নিয়োগের আবেদন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে শূন্য পদের তথ্য হালনাগাদ করা হয়েছে। এই তথ্য সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে। শনিবার (১০
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে নতুন কোনো জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণার সম্ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে কোনো
নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে শেষ সভা আয়োজন করতে যাচ্ছে জাতীয় বেতন কমিশন। প্রাথমিকভাবে আগামী ২১ জানুয়ারি এই চূড়ান্ত সভার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে,
নবম জাতীয় পে-স্কেলের সর্বনিম্ন বেতন নিয়ে তিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করেছে পে-কমিশন। এই তিন প্রস্তাবের যে কোনো একটি চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা গেছে। তবে তা এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বৃহস্পতিবার