সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি ও নতুন পে-স্কেল নিয়ে আলোচনা যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই প্রেক্ষাপটে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপনের বক্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিতর্কের জন্ম
নবম জাতীয় বেতন কমিশন নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই তাদের সুপারিশ প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে, যা সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো পুরো মাত্রায় কার্যকর হওয়ার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ আগামী ১ জুলাই। এর আগে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে
বাংলাদেশের সকল পেশাজীবিদের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়। হয়না শুধু এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ভাগ্যের তেমন কোন উন্নয়ন। এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা তাদের সাথে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অনিয়মের কথা যখন তাদের কর্তৃপক্ষের নিকট জানায়
দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের কাঙ্ক্ষিত ঘোষিত হয়েছে নতুন পে স্কেল। এতে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে জাতীয় বেতন কমিশন। এতে ২০তম গ্রেডভুক্তদের বেতন
জাতীয় স্কেলে আওতাভুক্ত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এতদিন গভীর টেনশনে ছিলেন কমবেশি সবাই যে পে কমিশনের রিপোর্ট কোনদিন প্রদান করবে আদৌ পে কমিশনের রিপোর্ট এই সরকারের মেয়াদপূর্তীর পূর্বেই প্রদান করবে
নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই নবম জাতীয় বেতন কমিশন তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে। ২৩ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিশন কমিশনপ্রধান