সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়ন ও চূড়ান্ত করার কাজে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা চলছে পে কমিশনের সদস্যদের মধ্যে। দীর্ঘদিন পর নতুন পে স্কেল প্রবর্তনের লক্ষ্যে এই কমিশন গত ৩০
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো তৈরির কাজ জোরেশোরে এগিয়ে নিচ্ছে পে কমিশন। বিদ্যমান বেতন কাঠামোয় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের মধ্যে যে বৈষম্য রয়েছে, তা কমানোর ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে পে কমিশন জোরেশোরে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অনলাইনে মতামত গ্রহণের পর এখন মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করছে কমিশনের সদস্যরা। সংগঠনের সংখ্যা
একসময় দেশের এমপিওভুক্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা ব্যাংক চেকের মাধ্যমে বেতন-ভাতা পেতেন। এতে প্রতিমাসেই লাখ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীকে নানা ভোগান্তির শিকার হতে হতো। এই জটিলতা দূর করতে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে চালু
নবম পে কমিশনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে দুই মাস আগে, আর এরই মধ্যে কমিশন তাদের প্রাথমিক ধাপের কাজ শেষ করে এখন দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করেছে। স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো এবার কমিশন
এক দশক পর দেশে আবারও নতুন পে কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কারণে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা ও আলোচনার ঢেউ। এবারের পে কমিশন শুধু বেতন বৃদ্ধির
সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন স্কেল নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলমান থাকাকালে গ্রেড একীভূতকরণের একটি প্রস্তাব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। কর্মচারীদের বিভিন্ন ফোরাম এবং অংশীজনরা মত দিয়েছেন যে, ২০ নং