নবম জাতীয় বেতন কমিশন নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই তাদের সুপারিশ প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে, যা সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।
নতুন পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি কর্মচারীদের জন্য মোট ২০টি গ্রেডে
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো পুরো মাত্রায় কার্যকর হওয়ার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ আগামী ১ জুলাই। এর আগে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে
বাংলাদেশের সকল পেশাজীবিদের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়। হয়না শুধু এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ভাগ্যের তেমন কোন উন্নয়ন। এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা তাদের সাথে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অনিয়মের কথা যখন তাদের কর্তৃপক্ষের নিকট জানায়
নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জাতীয় বেতন কমিশন। বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে ১০০ থেকে ১৪৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে কমিশন। কমিশনের এ সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে সরকারি চাকরিজীবি
জাতীয় স্কেলে আওতাভুক্ত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এতদিন গভীর টেনশনে ছিলেন কমবেশি সবাই যে পে কমিশনের রিপোর্ট কোনদিন প্রদান করবে আদৌ পে কমিশনের রিপোর্ট এই সরকারের মেয়াদপূর্তীর পূর্বেই প্রদান করবে
নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই নবম জাতীয় বেতন কমিশন তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে। ২৩ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিশন কমিশনপ্রধান