নবম জাতীয় পে কমিশনের দাখিলকৃত সুপারিশের আলোকে সরকার কর্তৃক গঠিত তিন সদস্যের বাস্তবায়ন কমিটি যে প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোর প্রতি নীতিগত সম্মতি দিয়েছে, তা সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে
বৈষম্যমুক্ত নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও ১ জানুয়ারি থেকে বাস্তবায়নের দাবিতে সারা দেশের সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিসগুলোতে কর্মচারীরা দুই ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। আজ
নির্বাচন কিংবা গণভোটের মতো জাতীয় গুরুত্বের রাষ্ট্রীয় আয়োজন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে সম্পন্ন করার পেছনে মাঠপর্যায়ের নির্বাচনকর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসাররা ভোটগ্রহণ শুরুর আগের
নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন ও প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে চলমান আন্দোলনের কৌশলগত ধারাবাহিকতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এই সরকারের সময়ের মধ্যেই পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে আগামী ৫ জানুয়ারি
নবম জাতীয় পে স্কেলের জন্য জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ জমা দেওয়ার পর ইতোমধ্যে দশ দিন পার হয়ে গেলেও সরকার পক্ষ থেকে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে কোনো দৃশ্যমান বা প্রত্যক্ষ পদক্ষেপ
পে স্কেলের দাবিতে আন্দোলনরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন একটি সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়েছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি’। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটিও গঠন করা
৯ম পে-স্কেল ও ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। আজ ৩০ জানুয়ারি (শুক্রবার) সকাল ১০টায় ৯ম পে-স্কেলের গেজেট