দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর ধরে আটকে থাকা এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ভাতা ও কল্যাণসুবিধা প্রদানের জটিলতা অবশেষে নিরসনের পথে এগোচ্ছে। দীর্ঘদিনের অপেক্ষা, হতাশা ও অনিশ্চয়তার পর হাজার হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট নিরসনে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অবসর সুবিধা ও কল্যাণ তহবিলের অর্থপ্রাপ্তির অপেক্ষায় থাকা শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ নিশ্চিত
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার তাদের বাড়িভাড়া ভাতা দুই ধাপে মোট ১৫ শতাংশ বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছিল। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রথম ধাপে গত বছর থেকেই
বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের মে মাসের বেতন-ভাতার প্রস্তাব এখনো অনুমোদন পায়নি। ফলে চলতি সপ্তাহের মধ্যে তারা মে মাসের বেতন-ভাতা হাতে পাবেন কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির মাধ্যমে সরকার শিক্ষার উন্নয়ন ও কল্যাণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি জানান,
আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের লক্ষ্যে অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের বকেয়া নিষ্পত্তির জন্য বড় ধরনের বরাদ্দ বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত সুপারিশ অনুযায়ী, এ
নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে সরকারি পর্যায়ে আলোচনা ও প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিচার